ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা খামেনির জানাজা আশুরার পর হতে পারে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনে নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনপ্রক্রিয়া মহররমের প্রথম ১০ দিনের (আশুরা) পর অনুষ্ঠিত হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনে নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনপ্রক্রিয়া মহররমের প্রথম ১০ দিনের (আশুরা) পর অনুষ্ঠিত হবে।
আলী খামেনির বিদায় অনুষ্ঠান আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বড় রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। এটা ১৯৮৯ সালের খোমেনির শেষযাত্রার প্রায় এক কোটি মানুষের উপস্থিতিও ছাড়িয়ে যেতে পারে।
ইরানে টানা পাঁচ ঘণ্টা মার্কিন হামলায় একই পরিবারের তিনজন নিহত; হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের লড়াই তীব্র।
যুদ্ধ বন্ধের জন্য সই হওয়া সমঝোতা ভেঙে পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু করেছে ওয়াশিংটন ও তেহরান।
ইরানের প্রেসিডেন্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক বিক্ষোভে শুধু জানুয়ারিতেই নিহত মানুষের সংখ্যা ৩০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে। এর মানে, সামনে আরও বহু শোকসভা এবং সম্ভাব্য বিক্ষোভ।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ইরানের হামলায় কোনো মার্কিন সামরিক স্থাপনায় সেনার মৃত্যু হলো।
মধ্যপ্রাচ্যের দায়িত্বে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কমান্ডের (সেন্টকম) বাইরে অন্য কমান্ডে থাকা কর্মকর্তাদের এই হামলার ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইরানের বিক্ষোভে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৩০১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে এইচআরএএনএ।
ইরানে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলছে
সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার জবাবে ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর অবস্থানে যৌথ বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব; এতে পিএমএফ সদস্যসহ অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে বিবদমান পক্ষগুলোকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের বাধ্যবাধকতা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ।