পঞ্চাশের দশকে আমানুল হকের সাড়া জাগানো ছবি
পঞ্চাশের দশক আমানুল হকের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে তাঁর হাত ধরে এ দেশে সৃজনশীল আলোকচিত্রের সূচনাপর্বের ভিত রচিত হয়।
পঞ্চাশের দশক আমানুল হকের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে তাঁর হাত ধরে এ দেশে সৃজনশীল আলোকচিত্রের সূচনাপর্বের ভিত রচিত হয়।
করোনাকালে চিত্রকলা গ্যালারি নামের অনলাইন উদ্যোগ আমাদের শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে কার্যত অতিক্রম করার পথ দেখিয়েছিল।
ওগো ঢেউ, পাড়ে এসে আছড়ে পড়া ডুকরে ওঠা ঢেউ, মানুষের হৃদয়ের মতো তুমি কেন বিরহকাতর?
আমাদের যা আছে, তা হলো সভ্যতা, আর আমরা যা তা–ই হলো সংস্কৃতি। সংস্কৃতি-সভ্যতা সবই হচ্ছে মানুষের অস্তিত্বের বিস্তার...
তাওফিক ওই গ্রামে কত দিন ছিলেন তা মনে নেই। আর ওই ঘটনা কততম দিনে ঘটেছিল, তা–ও ঠিক বলতে পারবেন না। তবে বাঁশহাটিয়া অবস্থানের চতুর্থ বা পঞ্চম দিন হতে পারে।
উটপাখি আঁকছিলাম কাইল কিংবা মাঝারি একটা মরা প্রবালের ওপর বসি পা দুলাইতে দুলাইতে
মধ্যরাতের নির্জনতায় জিকিররত জায়নামাজে ওইখানে ঠিক খুশবু ছড়ায় চোখ থেকে আর যায় না মা যে।
গত ছয় মাসে সে কোনো বন্ধুকে রেস্তোরাঁয় নিয়ে খাওয়ায়নি। কাউকে সিগারেট গিফট করেনি। মদ খাওয়ায়নি কাউকে। তাই বন্ধুদের কাছেও বুঝি সে আর আগের মতো প্রিয় নেই।
হাত ধরে হেঁটে গিয়ে এই শীতে কুয়াশা রুমাল ওড়ানোর কথা ছিল
অদূরে-সুদূরে তুমি ছিলে দাঁড়িয়ে, আমি এত প্রেম পেরিয়ে আসছি না তোমার কাছে।
নব্য নগদ আয়তনের ভারে অথবা ধারে ফালা ফালা দেহবৃক্ষ—
এখানে সাহিত্য, ভাষা, শিক্ষা, ধর্ম, গ্রাম-শহর সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক আন্দোলন—সবই কালচারের আলোকে বিশ্লেষিত হয়েছে।