
সাত বছর বিরতির পর ইরান থেকে তেল কিনছে ভারত
সাত বছর পর ভারত ইরান থেকে তেল কিনছে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের মধ্য দিয়ে। তেল মন্ত্রণালয় জানায়, পরিশোধনাগারগুলোর জোগান নিশ্চিত হয়েছে এবং অর্থ পরিশোধ নিয়ে কোনো জটিলতা নেই। এদিকে ইরানের তেল বিক্রিও বেড়েছে।

সাত বছর পর ভারত ইরান থেকে তেল কিনছে মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের মধ্য দিয়ে। তেল মন্ত্রণালয় জানায়, পরিশোধনাগারগুলোর জোগান নিশ্চিত হয়েছে এবং অর্থ পরিশোধ নিয়ে কোনো জটিলতা নেই। এদিকে ইরানের তেল বিক্রিও বেড়েছে।

ইরান যুদ্ধের মধ্যে ট্রাম্প ২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রতিরক্ষা খাতে ৫০০ বিলিয়ন ডলার বাড়াতে চান, যা মোট বাজেটকে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাবে। অন্যান্য খাতে ১০% ছাঁটাইয়ের প্রস্তাব করেছেন তিনি, যদিও কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন। সামরিক বাহিনীর বেতনবৃদ্ধি এবং গোল্ডেন ডোম প্রকল্পের জন্য বিশাল বরাদ্দ অন্তর্ভুক্ত।

ইরানের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের অপরাজেয়তার দাবি প্রশ্নবিদ্ধ। মার্কিন নাগরিকরা যুদ্ধের খরচকে অযৌক্তিক বলছেন। প্রশাসনের আকাশ নিয়ন্ত্রণের দাবিতে বড় চিড় ধরেছে।

ইরানে দুটি যুদ্ধবিমান হারিয়ে আরও চাপে ট্রাম্প

ইরান দাবি করেছে, এক দিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান—এফ-১৫ই এবং এ-১০ ওয়ারথগ—ভূপাতিত করেছে তার নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়। এতে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ধ্বংস মার্কিন উড়োজাহাজের সংখ্যা সাতে পৌঁছেছে। যৌথ সামরিক কমান্ড এটিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য ‘লজ্জাজনক পরাজয়’ বলে অভিহিত করেছে।

নিখোংজ মার্কিন পাইলটের মা সামাজিক মাধ্যমে দোয়া চেয়েছেন, জবাবে পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার ইরানি দূতাবাস কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা বলেছে, ট্রাম্পের অধীনে ছেলেরা ইরানি হেফাজতের চেয়ে বেশি বিপদে। ইরান-মার্কিন সংঘাতে মার্কিন বিমান ভূপাতিত হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাতটি সামরিক উড়োজাহাজ ধ্বংসের শিকার হয়েছে। গতকাল এফ-১৫ই ও এ-১০ সহ নতুন দুটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এর আগে কুয়েত, ইরাক, সৌদি আরবে বিভিন্ন ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

রয়টার্স/ইপসোস জরিপে দেখা গেছে, ইরান যুদ্ধ নিয়ে সাধারণ মার্কিনরা হতাশ এবং নেতিবাচক। চারজনের মধ্যে তিনজনের বেশি স্থল সেনা পাঠানোর বিরোধী। যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়ছে, মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ইরানি বাহিনী একই দিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান—এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল এবং এ-১০ ওয়ারথগ—ভূপাতিত করেছে। ইরানের ‘মজিদ’ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা ব্যবহার করে অপটিক্যাল ও ইনফ্রারেড সেন্সর দিয়ে এই আঘাত হানা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ইতিহাসে এমন ঘটনা অত্যন্ত বিরল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরুর এক মাসের বেশি সময় পর স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান যুদ্ধে জয়লাভ করছে।

দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানে মার্কিন এফ–১৫ই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর স্থানীয় মানুষ ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে পাইলটের সন্ধানে ছুটছেন। ইরান কর্তৃপক্ষ পুরস্কার ঘোষণা করেছে এবং জনগণকে সন্ধানে সাহায্যের আহ্বান জানিয়েছে। ইরান এছাড়া এফ–৩৫ স্টেলথ ফাইটার ভূপাতিত করার দাবি করেছে।

সাবেক মার্কিন নৌকর্মকর্তা হারলান উলম্যান বলছেন, ইরানে বিধ্বস্ত এফ–১৫ই যুদ্ধবিমানের পাইলটকে উদ্ধারের অভিযান অত্যন্ত বিপজ্জনক হবে। এতে হেলিকপ্টার ও গানশিপ ব্যবহার করে দ্রুত ‘ইন অ্যান্ড আউট’ অপারেশন চালানো হতে পারে। ইরানের তল্লাশির কারণে অভিযান দ্রুত শেষ করতে হবে।