ইরান যুদ্ধ গড়াল ১০০ দিনে, ট্রাম্প হিমশিম খাচ্ছেন যেখানে
মার্কিন নাগরিকদের বড় একটি অংশ মনে করে, ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী।
মার্কিন নাগরিকদের বড় একটি অংশ মনে করে, ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে মধ্যস্থতা করতে পাকিস্তান চাপে পড়েছে। ইসরায়েলের বেসামরিক হামলা ও মার্কিন সেনা মোতায়েনের মধ্যে পাকিস্তান শান্তি আলোচনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসলামাবাদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শুরু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘খুব শিগগির’ ইরান যুদ্ধ শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও যুদ্ধের শেষসীমা দেখতে পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব এবং চলমান হামলার মধ্যে মার্কিন নাগরিকরা দ্রুত যুদ্ধবিরতি চান।
রাশিয়ার তেল ক্রয়ের এই অনুমতি আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বহাল থাকবে—এমনটাই জানিয়েছেন মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
মিসরের দামিয়েত্তা বন্দরে মার্কিন গ্যাস ট্যাংকারে ড্রোন হামলার পর সুয়েজ খাল ও সুমেদ পাইপলাইনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, যা দৈনিক ৫০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার প্রতি মার্কিন নাগরিকদের সমর্থন কমছে এবং ট্রাম্পের লক্ষ্য স্পষ্ট নয় বলে মত মিলেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জার্মানিতে মোতায়েন থাকা ৩৬ হাজার ৪০০ মার্কিন সেনা সদস্যের মধ্য থেকে ৫ হাজার সেনা সরিয়ে নিচ্ছেন। এর কী প্রভাব পড়বে, তা গার্ডিয়ানের এক্সপ্লেইনারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে হোটেলে গোলাগুলির ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আজ বুধবার সকালে সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার চেষ্টার জবাব হিসেবে ইরানের বিভিন্ন শহরে অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যার ফলে আবাদান, বন্দর আব্বাসসহ বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
যেমনটা ধারণা করা হয়েছিল, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসের বৈঠকটি তেমনই হয়েছে।
ইরানে চলা যুদ্ধকে ইসরায়েল আমেরিকান জনগণের বিরুদ্ধেও পরাজয়ের মুখোমুখি করেছে। বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ মার্কিন নাগরিক যুদ্ধবিরোধী হয়ে উঠেছে এবং রাজনৈতিক নেতারা ইসরায়েল থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। এটি ইসরায়েলের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।