যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে জেনেভায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
এ আলোচনার লক্ষ্য, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো ও যেকোনো ধরনের সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত এড়ানো।
এ আলোচনার লক্ষ্য, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো ও যেকোনো ধরনের সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত এড়ানো।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. ওবায়দুল হক মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি, সংঘাত, নিরাপত্তা বিষয়ে গবেষণা করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বাস্তবসম্মত নিরাপত্তাব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে একটি পারস্পরিক ‘অনাক্রমণ চুক্তি’ দরকার—যাতে রাজনৈতিক আদর্শের সংঘাত সহিংসতায় রূপ না নেয়।
যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে বড় সংঘাত এড়াতে দুই দেশই এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী সরাসরি যোগ দিয়েছে। গতকাল শনিবার তারা ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এতে সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সমঝোতা স্মারক ভেঙে পড়ার পর দুই দেশের সামরিক সংঘাত এবং এর পেছনের কৌশলগত কারণগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ।
সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ড ইরানের জন্য একটি বিরাট ধাক্কা। তবে এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন ঘটবে না বা তাতে সংঘাত কমবে না।
ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা বৈঠকের মধ্যেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন পাহারায় থাকা দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার কথা জানিয়েছে। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত, জাহাজ চলাচল স্থবিরতা ও দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটও আলোচনায় এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা স্থগিত রাখলেও ইয়েমেনে হুতিদের সৌদি তেল স্থাপনায় আক্রমণ এবং কাস্পিয়ান সাগরে ইরানি জাহাজে ইউক্রেনের হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নতুন মোড় নিয়েছে।
ইরানের হরমুজ প্রণালি অবরোধের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি যুদ্ধ থেকে অর্থনৈতিক যুদ্ধের পথে হেঁটেছেন। এই কৌশল মূলত নতুন করে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানে হামলা করা ছাড়াই সংঘাত শেষ করার চেষ্টা।
হরমুজ প্রণালি অবরোধের হুমকিতে সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম তীব্র ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড ৭% বেড়ে ১০২.১৬ ডলার এবং ডব্লিউটিআই ৮.৫% উঠে ১০৪.৮২ ডলারে পৌঁছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কারণে জ্বালানিসংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি ও ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ঝুঁকি বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টায় চরম যুদ্ধ ছড়াতে পারে। কুয়েত, বাহরাইনসহ উপসাগরীয় দেশগুলোতে ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত।