ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানে মার্কিন হামলা, কয়েকটি শহরে বিস্ফোরণ, হরমুজ প্রণালি বন্ধ
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানে নতুন করে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানে নতুন করে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্লেষক গোল্ডবার্গ মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছাড়া পূর্ণমাত্রার সংঘাতে ফিরে যাওয়ার মতো অবস্থায় ইসরায়েল নেই।
মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি ও রণতরিগুলোতে থাকা সেনারা এক অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।
সময় ফুরিয়ে আসছে: ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট ১ মে কন্যাসন্তান ভিভিয়ানের জন্ম দেন। ইরানের দূতাবাস অভিনন্দন জানিয়ে মিনাব স্কুলে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত ১৬৮ শিশুর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। লেভিটের এক ছেলে আছে।
বর্তমান যুদ্ধের সময় দুই মাসের কম, স্থলযুদ্ধ প্রায় হয়নি বললেই চলে, বন্দী নেই, আর আলোচনায় আসতে হবে মূলত দুই পক্ষকেই। ফলে কূটনীতি কিছুটা সহজ মনে হতে পারে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত ইরানি দূতাবাস সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উপহাস করেছে।
ট্রাম্পের কড়া সমালোচনা সত্ত্বেও পোপ চতুর্দশ লিও যুদ্ধবিরোধিতা চালিয়ে যাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। আলজেরিয়াগামী উড়োজাহাজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে তিনি শান্তি ও আলোচনার পক্ষে কথা বলেন। ১০ দিনের সফরে তিনি আফ্রিকার চার দেশ ভ্রমণ করবেন।
কুইন্সি ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ ত্রিতা পার্সির মতে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ছাড়া ট্রাম্পের সামনে ভালো কোনো বিকল্প ছিল না। আল-জাজিরার সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পুরো যুদ্ধ হলে বিশ্ব জ্বালানি সংকটে পড়ত এবং ট্রাম্পের সরকার ধ্বংস হতো। চুক্তিটি ইরানের ১০ দফা পরিকল্পনার ভিত্তিতে হবে।
ইরানি রেড ক্রিসেন্ট বলেছে, হুমকির মধ্যে ১৭টি বেসামরিক স্থাপনায় হামলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এটি যুদ্ধাপরাধ।
ন্যাটোর মোট ব্যয়ের বেশির ভাগ যুক্তরাষ্ট্র বহন করে, যা প্রায় ৬০ থেকে ৬২ শতাংশ। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র একাই জোটভুক্ত বাকি দেশগুলোর সম্মিলিত ব্যয়ের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করে।