
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চার প্রার্থীর জয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৭৯ জন ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৭৯ জন ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

গাজীপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান ২ লাখ ৮ হাজার ৬৮৮টি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহ্ আলম বকশী ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৫৩ ভোট পেয়েছেন।

আজ সকালে নির্বাচন ভবনে ভোটের প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা শেষে সমাপনী বক্তব্য দেন ইসি সদস্য সানাউল্লাহ।

শুরুতে ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য। এরপর নির্বাচিত হয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদেও নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এই পথচলা নুরুল আমিনের। চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপির মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

প্রতিকারে যদি আইনে থাকত, আইনের সঠিক প্রয়োগ থাকত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আগে কখনো দেওয়া হতো, তখন এসব নিয়ে ভিউখোর মানুষের গুজব ছড়ানো বন্ধ হয়ে যেত।

প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।

আখতার হোসেনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪ ভোট।

সিলেট জেলার ছয়টি আসনের ৩৩ প্রার্থীর মধ্যে তাহসিনা রুশদীর একমাত্র নারী। তাঁর স্বামী ইলিয়াস আলী ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে গাড়িচালকসহ ‘গুম’ হন।

হাবিবুর রশিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া।

সিলেট–৪ আসনে আরিফুল হক ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৬টি ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জয়নাল আবেদীন ৭১ হাজার ৩৯১ ভোট পেয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫৫ হাজার ৮৬৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন বিএনপির প্রার্থী সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া।