নারী লেখকদের সাহিত্যের আন্তর্জাতিক মঞ্চ
বর্তমানে উইমেন্স প্রাইজের অধীনে দুটি বিভাগ রয়েছে। ‘উইমেন্স প্রাইজ ফর ফিকশন’ এবং ‘উইমেন্স প্রাইজ ফর নন-ফিকশন’। ফিকশন বিভাগটি পুরোনো।
বর্তমানে উইমেন্স প্রাইজের অধীনে দুটি বিভাগ রয়েছে। ‘উইমেন্স প্রাইজ ফর ফিকশন’ এবং ‘উইমেন্স প্রাইজ ফর নন-ফিকশন’। ফিকশন বিভাগটি পুরোনো।
নারীবাদীদের মতে, নারীর ঐতিহাসিক পরাজয়ের ওপর দাঁড়িয়ে আছে আজকের এই সভ্যতা, টিকে আছে নারীকে অবমূল্যায়ন করে, অধীনস্থ করে, প্রান্তিকীকরণের মধ্য দিয়ে।
চৈতালি বিকেল, নতুন চালের ক্ষীর, পুতুল নাচের অনন্ত ইশারা চলো যাই চন্দ্রদ্বীপে, হরিকেলে, তাম্রলিপ্তি, দ্বীপান্বিতা গৃহে।
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মাধবীর পরবর্তী এক শতকের ভেতরে আরেকটি উজ্জ্বল নারী কবির নাম পাই আমরা—চন্দ্রাবতী।
মহাকালের মহানদের খলবলে জলভান্ডার, শিকড়গুলোকে ডুবিয়ে রাখে অরিক্ততার অসামান্য ভোজে।
ব্ল্যাকবোর্ডের সব লেখা ডাস্টার দিয়ে মুছে দিতে পারো ইচ্ছে করলেই।
নাট্যকার হিসেবে মুনীর চৌধুরী দৃশ্যত উদার মানবতাবাদী হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু তাঁর শিল্পচেতনার ভেতরে ফল্গুধারার মতো বয়ে চলে তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ।
কেউ জ্বালাতে ও পোড়াতে ভালোবাসে খুব কেউ কেউ ছাই দিয়েও রচনা করতে পারে প্রেম
পড়ে শোনাই, ভাই তো পড়তে জানে না! আমি বলি, ভাই, আপনের বউ তো উকিল নোটিশ পাঠাইছে, আপনের সাথে আর থাকবে না!
মা–পাখিটা আজব রাখাল সেজেছে এক—খুলে খুলে শিমুল তুলার ঝাঁক, ওড়ায় হা–হা–শূন্য—আকাশের দিক।
লেখক সাহিত্যিক হোর্হে লুইস বোর্হেসের বিখ্যাত উক্তিটি স্মরণ করিয়ে দেন: ‘রাইটিং ইজ নাথিং আদার দ্যান আ গাইডেড ড্রিম’; অর্থাৎ লেখালিখি নিয়ন্ত্রিত স্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই নয়।
‘যদি জানতে পারতিস সেদিন আমার চোখের কথা কে জানিয়েছিল মিলিটারিকে, তুই কী করতিস?’