সংরক্ষিত আসনের নারীরা যে কারণে ‘অবলা’ থেকে যাবেন
এ দেশে তো লোকেরা কথায় কথায় শাহবাগের মোড় অবরোধ করে দাবিদাওয়া জানায়। নারীর বিষয়টি নিয়ে কারও মাথাব্যথা দেখলাম না। কোনো নাগরিক সংগঠন এ নিয়ে তেমন উচ্চবাচ্য করেনি।
এ দেশে তো লোকেরা কথায় কথায় শাহবাগের মোড় অবরোধ করে দাবিদাওয়া জানায়। নারীর বিষয়টি নিয়ে কারও মাথাব্যথা দেখলাম না। কোনো নাগরিক সংগঠন এ নিয়ে তেমন উচ্চবাচ্য করেনি।
২৪৯ আসনের বেসরকারি ফলে সাত নারী প্রার্থী বিজয়ী।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মানসুরা আক্তার সর্বকনিষ্ঠ। হলফনামায় বলেছেন, তাঁর কোনো আয় নেই।
সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসেবে জাতীয় সংসদে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই সদস্য।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে মনোনীত তিন প্রার্থীর মধ্যে সম্পদ ও আয়ে এগিয়ে আছেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা বেগম স্বপ্না। নগদ টাকাও তাঁর বেশি-৩৮ লাখ ৮২ হাজার ৪৬০ টাকা। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর মোট (অর্জনকালীন) সম্পদের পরিমাণ ৪ কোটি ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৩৬৭ টাকা।
সংরক্ষিত নারী আসনে জামালপুর থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন নিলোফার চৌধুরী।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম তুলেছিলেন সংগীতশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা। তবে মনোনয়ন পাননি তিনি।
সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন নিয়ে বিতর্কে কনকচাঁপা বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে তাঁকে মনোনয়ন না দেওয়ার পক্ষ এখনো অপচেষ্টায় লিপ্ত। দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধিতা এবং নিজের ত্যাগের কথা তুলে ধরেছেন ফেসবুক পোস্টে। বিএনপি নেত্রী সুরাইয়া জেরিনও তাঁকে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে প্রার্থী হয়েছেন তাসমিয়া প্রধান।
সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মারদিয়া মমতাজ। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন তিনি।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোছা. সাবিরা সুলতানা স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার সম্পদের মালিক। সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, তাঁর বছরে আয় ১৫ লাখ ৮ হাজার ৪৫০ টাকা।
সংরক্ষিত নারী আসনে গোপালগঞ্জ থেকে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া সূবর্না সিকদার হলফনামা জমা দিয়েছেন।