
মতিউর রহমানের স্মৃতিচারণায় শহীদুল্লা কায়সার
যাঁরা সেই ষাটের দশকে আমাদের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিলেন, সেই সব ব্যক্তিত্বের মধ্যে শহীদুল্লা কায়সার হলেন অন্যতম।

যাঁরা সেই ষাটের দশকে আমাদের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিলেন, সেই সব ব্যক্তিত্বের মধ্যে শহীদুল্লা কায়সার হলেন অন্যতম।

রানির আগমনের নির্ধারিত সময় বিকেল চারটা। নির্ধারিত সময়ের আগেই তেজগাঁওয়ের পুরোনো বিমানবন্দরে গিয়ে পৌঁছালেন সাইদা খানম। বিমানবন্দরে শতাধিক দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও প্রেস ফটোগ্রাফার!

আবদুল গণি রোডে সারিবদ্ধ পুলিশ। তাদের হাতে থ্রি নট থ্রি রাইফেল। পরিবেশটা বেশ থমথমে। ঝটপট কয়েকটি ছবি তুললেন তকীয়ূল্লাহ।

অন্তত এই চিঠির তারিখ থেকে পরবর্তী প্রায় তিন বছর কিংবা তাঁর খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণের পাঁচ বছর পর অন্তত ১৮৪৭ সালের শেষ পর্যন্ত ‘মাইকেল’ তাঁর নামের অংশ ছিল না।

আটচল্লিশের সেই উত্তাল দিনের নানা মুহূর্ত কোডাক ফোল্ডিং ক্যামেরায় ধারণ করেছিলেন শেখ মোহাম্মদ ইয়াকুব।

কয়েক বছর পরে লাতিন আমেরিকায় এসে আমি আবার পাঠের জগতে ফিরি। এখানে এসে আমি সাহিত্যের নতুন ভূগোল আবিষ্কার করি।

ট্যাংকগুলো লোকটির কাছে এসে থামল। প্রথম ট্যাংকটা সামান্য বাঁ দিকে ঘুরল, যেন তাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাবে। লোকটা এক পা এগিয়ে গিয়ে আবার সামনে দাঁড়ালেন।

জীবনানন্দের সমসাময়িক প্রধান দুই কবি, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ও বিষ্ণু দে–কেও এই সময় রূপান্তরিত করেছিল; বদলে দিয়েছিল কথাশিল্পী মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

আপনি বালি দিয়ে তায়াম্মুম করছেন কেন?’ ‘হতে পারে সেখানে পৌঁছানোর আগেই আমি আর বেঁচে না–ও থাকতে পারি’, জবাবে তিনি বললেন।

আমার মনের বনে যে ঘন শীত পড়ছে, তা নিবারণ করতে তুমি আসবে তো হিমা? একজন বলল, ‘আপনার কবিতায় এত এত মৃত্যু আসে কেন?’

তিনি মরদেহের পাশে অবিরাম কোরআন পাঠ করছিলেন। তখনো আমাদের ভয় ছিল, তাঁর মরদেহ সামরিক জান্তা উঠিয়ে নিয়ে যাবে।

একই পরিস্থিতিতে ও পরিবেশে দীর্ঘদিন একই ধরনের কাজে নিয়োজিত থাকার ফলে এক ধরনের অভ্যাস, রীতি, দৃষ্টিভঙ্গি, ছন্দ, অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও মূল্যবোধ গঠিত হয়।