ইরানে মার্কিন সেনা পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই ট্রাম্পের
ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় রাখছে।
ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে বিমান ও নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় রাখছে।
ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীর হামলার হুমকির মুখে তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলন শেষে তড়িঘড়ি উড়োজাহাজ পরিবর্তন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানে নিখোঁজ মার্কিন সেনার খবর ফাঁসকারী সাংবাদিককে কারাগারে পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গোপনীয় তথ্য ফাঁসের ফলে উদ্ধার অভিযান জটিল হয়। ইরানি গণমাধ্যম প্রথম বিমান বিধ্বস্তির খবর প্রচার করেছিল।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাতটি সামরিক উড়োজাহাজ ধ্বংসের শিকার হয়েছে। গতকাল এফ-১৫ই ও এ-১০ সহ নতুন দুটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এর আগে কুয়েত, ইরাক, সৌদি আরবে বিভিন্ন ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত নয়টি উড়োজাহাজ ভূপাতিত বা ধ্বংস হয়েছে। বিবিসির তালিকায় ৫ এপ্রিল থেকে ২ মার্চের মধ্যে এফ–১৫ই, ই-৩ সেন্ট্রি, কেসি-১৩৫সহ বিভিন্ন ধরনের বিমানের ঘটনা উল্লেখ আছে। ছবি বিশ্লেষণ ও মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে খাদ্য ও পানির সংকট, দূষণ ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সামরিক আগ্রাসনের কড়া জবাবে জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন সামকির ঘাঁটিতে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। হামলায় ঘাঁটিতে থাকা একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস ও মার্কিন বিমানবাহিন
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় পাইলটদের মনের অবস্থা ও ধরা পড়া এড়ানোর কৌশল তুলে ধরেছেন সাবেক মার্কিন বিমানবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হিউস্টন ক্যান্টওয়েল। ভূমিতে নামার মুহূর্ত জটিল এবং আহত হওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ। পাইলটরা প্রশিক্ষণ অনুসারে আত্মগোপন করে উদ্ধারের জায়গায় পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।
সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের এক হামলায় কমপক্ষে ১২ মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন।
বিশ্বের বৃহত্তম মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ সোমবার গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের একটি নৌঘাঁটিতে ফিরেছে।
মার্কিন বিমানবাহী রণতরি জেরাল্ড ফোর্ডে আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ নাবিক, বন্দরে সাময়িক বিরতি।
‘বিদেশি সরকার কিংবা আন্তর্জাতিক চাপের কাছে আমরা মাথা নত করব না’—১৯৫১ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাঁড়িয়ে এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক। সাত দশকের বেশি সময় পেরিয়ে আজ, যখন একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরির বহর ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে মিসাইলবাহী জাহাজ, তখন মোসাদ্দেকের সেই কথা ইতিহাসের উদ্ধৃতি নয়, বরং চলমান বাস্তবতার ভাষ্য বলে মনে হয়।