কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে, দুধকুমারের পানি বিপৎসীমার ওপরে
ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। দুধকুমার নদের পানি সমতলে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। দুধকুমার নদের পানি সমতলে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
‘পানি প্রতিবেশ সুরক্ষাই টেকসই উন্নয়ন’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে খুলনায় তিন দিনব্যাপী তৃতীয় উপকূলীয় পানি সম্মেলন শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে নগরের সিএস আভা সেন্টারে সম্মেলনের সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে বিশেষ পরামর্শ সভার মধ্য দিয়ে এ সম্মেলন শুরু হয়।
মৌলভীবাজারে টানা কয়েক দিনের হালকা ও ভারী বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অনেক স্থানে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জেলার বিভিন্ন হাওরে পানি বেড়েছে।
পানি ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত বলেছেন, আগামী ৫০ বছরের মধ্যে খুলনা শহরের পানি সমুদ্রের পানির মতো লবণাক্ত হয়ে যেতে পারে। সুন্দরবনে বড় ধরনের পরিবেশগত পরিবর্তন দেখা দেবে।’
গত শনিবার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টা। ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চরমাদ্রাজ ইউনিয়নের মিয়াজানপুর গ্রামের ফকিরবাড়ির একটি গভীর নলকূপ ঘিরে দাঁড়িয়ে আছেন কয়েকজন গৃহবধূ।
কুমিল্লা নগরীর পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাকে আধুনিক করতে সরকার নতুন ওয়াসা গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে দেশে ওয়াসার সংখ্যা বাড়বে ছয়টিতে।
ববিতা রানী জানান, বর্ষা মৌসুমে পানি যাওয়ার পথ না থাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আবার শুষ্ক মৌসুমে, বিশেষ করে মার্চ মাসের শেষ দিক থেকে পুকুরের পানিও থাকে না।
জরিনা জানান, প্রায় ২০ বছর আগে তাঁদের বাড়ির পাশে নলকূপ ছিল। পানির জন্য কোনো কষ্ট ছিল না। কিন্তু ধীরে ধীরে এলাকার নলকূপগুলোতে পানি ওঠা বন্ধ হয়ে যায়।
জলবায়ুর অস্থিরতা ও মানুষের অসহায়ত্ব মোকাবিলায় প্রচলিত রাষ্ট্রকেন্দ্রিক ‘পানি কূটনীতি’ ব্যর্থ হয়েছে।
নিসংকটাপন্ন ঘোষিত এলাকার আয়তন ২ হাজার ৭৮৭ বর্গকিলোমিটার; যেখানে প্রায় ২১ লাখ ৫ হাজার মানুষ পানিসংকটে ভুগছেন।
ট্যাপের পানিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের কারণ হয়েছে। ২০২৪ সালের গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের ৮৩% ট্যাপের পানিতে এটি পাওয়া যায়। শজনের বীজ এই ক্ষতিকর কণা ৯৮.৫% পর্যন্ত অপসারণ করতে সক্ষম।
বিলকিস জানান, কাপড় কাচা থেকে শুরু করে খাওয়ার পানির ব্যবস্থা—সব মিলিয়ে প্রতিদিনই দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হয়। গরমের সময় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে।