অকটেন কী, কোথায় পাওয়া যায়, সংকটের আশঙ্কা কতটা?
ইরান যুদ্ধের পর অকটেন সংকট নিয়ে আলোচনা চলছে। দেশে চাহিদার অর্ধেক অকটেন উৎপাদিত হয়, বাকি আমদানি। এপ্রিলে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও প্যানিক বায়িংয়ে লাইন বাড়ছে।
ইরান যুদ্ধের পর অকটেন সংকট নিয়ে আলোচনা চলছে। দেশে চাহিদার অর্ধেক অকটেন উৎপাদিত হয়, বাকি আমদানি। এপ্রিলে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও প্যানিক বায়িংয়ে লাইন বাড়ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, তেলের মজুত কমে যাওয়া ও চীনের বাড়তি আমদানি—সব মিলিয়ে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম নতুন রেকর্ডের শঙ্কায়।
জ্বালানি সংকটে মুন্সিগঞ্জের মেঘনা ও মুক্তারপুর ঘাটে ৫০টির বেশি লাইটার জাহাজ দাঁড়িয়ে। মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রভাবে নৌপথের পণ্য পরিবহন ব্যাহত হয়েছে। কালোবাজারি ও সরবরাহের অভাবে শিল্পকাঁচামাল আমদানি স্থবির।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকটের মধ্যে ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘এমটি শান গাং ফা জিয়ান’ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এপ্রিলে চার লাখ টন ডিজেলের চাহিদা, এ মাসে দুটি জাহাজ এসেছে। বিপিসি বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহ করছে।
জিটুজি চুক্তির আওতায় জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে ১৫ লাখ ২৫ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত এবং বগুড়া জেলায় ১৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণসহ কয়েকটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। ব্যয় হবে মোট ১৬ হাজার ৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং আশ্রয়কেন্দ্র প্রকল্পে ১২৬ কোটি টাকা।
রুশ জ্বালানির বড় ক্রেতা ভারত ও চীনের পণ্যের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের একটি দ্বিদলীয় বিল পাস করেছে মার্কিন সিনেট। একই সঙ্গে রাশিয়া ও ইরানের ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব রাখা হয়েছে এই বিলে।
যুদ্ধের আগে একই পরিমাণ তেল আমদানিতে খরচ পড়েছিল প্রায় অর্ধেক। সৌদি আরব থেকে সর্বশেষ তেল এসেছে জানুয়ারি মাসে।
আজ শনিবার বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত ও সরকারি ক্রয় কমিটির জরুরি বৈঠকে ১৭ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ বৈঠক ডাকা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সভাপতিত্ব করবেন।
রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি তেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সায় চেয়েছে বাংলাদেশ।
চুক্তির বাইরে ভারত থেকে বাড়তি তেল আনার প্রস্তাব। কম দামে ডিজেল আনতে দরপত্র ছাড়া তেল কেনার চিন্তা।
২০২১ সালে ভারতের তেল আমদানিতে রাশিয়ার অংশ ছিল ২ শতাংশের কম। ২০২৩ সালে তা বেড়ে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ হয়।