বাংলাদেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
জোরপূর্বক শ্রমবিরোধী নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে ব্যর্থতার অভিযোগে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের ওপর ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন।
জোরপূর্বক শ্রমবিরোধী নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে ব্যর্থতার অভিযোগে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের ওপর ১০ থেকে ১২.৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন।
হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং-এ বলরুম নির্মাণ আটকিয়েছে একজন মার্কিন বিচারক, কংগ্রেসের অনুমোদনের অভাব তুলে ধরে। ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর হিস্টোরিক প্রিজারভেশনের মামলায় জাজ রিচার্ড লিওন কাজ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। ট্রাম্প প্রশাসন আপিল করেছে, প্রকল্পটি ব্যক্তিগত অর্থায়নে চলছে বলে দাবি করছে।
জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি উল্লেখ করে বিদেশে তৈরি নতুন মানবসদৃশ রোবট ও পাওয়ার ইনভার্টার আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।
বাংলাদেশসহ প্রায় ৬০টি বাণিজ্য অংশীদার দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে ১০ শতাংশ ও ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। জোরপূর্বক শ্রম নিষেধাজ্ঞা শিথিলভাবে প্রয়োগের অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাময়িক ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুক্রবার (২
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির মুখে আলোচনার পরিবেশ ফেরাতে তেহরানে কাতারি প্রতিনিধি দল। পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে হতাশ ট্রাম্প প্রশাসন এবং ‘সর্বাত্মক যুদ্ধের’ হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
ট্রাম্প প্রশাসন ইরান যুদ্ধের খরচ আরব দেশগুলোর ওপর চাপিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, প্রেসিডেন্ট এ নিয়ে আগ্রহী। যুদ্ধের খরচ ইতিমধ্যে হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প উৎপাদন পুনরুজ্জীবিত করার যে বৃহত্তর প্রচেষ্টা হাতে নিয়েছে, এটি তারই অংশ।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য ট্রাম্প প্রশাসন এখন পর্যন্ত কংগ্রেসের কোনো অনুমোদন পায়নি। বোমা বিক্রিতে তাই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণব্যবস্থা ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।
ইরান যুদ্ধে ন্যাটো মিত্রদের সহযোগিতা না পেয়ে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ। ফ্রান্স ও ইতালি আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি, স্পেনও অটল। এতে মার্কিন প্রশাসন ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে বিভাজন স্পষ্ট।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ও ইরানের মধ্যে যে এলোমেলো, অসংলগ্ন কূটনীতি চলছে, তা দেখে অনেকেরই মনে হতে পারে যে বিশ্বরাজনীতি যেন সম্পূর্ণ দুর্বোধ্য হয়ে উঠেছে।