রোজা : কোরআন যেভাবে সংযমের শিক্ষা দেয়
রোজা সেই প্রশিক্ষণের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর উদ্দেশ্য কেবল ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করা নয়; বরং তাকওয়া অর্জন, আত্মসংযম শেখা এবং আল্লাহকেন্দ্রিক জীবন গঠন করা।
রোজা সেই প্রশিক্ষণের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর উদ্দেশ্য কেবল ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করা নয়; বরং তাকওয়া অর্জন, আত্মসংযম শেখা এবং আল্লাহকেন্দ্রিক জীবন গঠন করা।
বরিশালের গৌরনদীর ১৩ বছর বয়সী কিশোর মুসাইব হোসাইন মাত্র ৭৩ দিনে পুরো কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হয়েছেন, যা মাদ্রাসা ও এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
স্ক্রিনের ওপারে ‘কোরআন শিক্ষক’ ব্যক্তিটি যে সবসময় নিরাপদ নাও হতে পারেন—এই নির্মম সত্য মেনে নেওয়া আমাদের রক্ষণশীল সমাজের জন্য বেশ কঠিন।
উখিয়ার আশ্রয়শিবিরে পাহাড় ধসে বেঁচে যাওয়া মাদ্রাসাশিক্ষক জানালেন কী ঘটেছিল সেদিন
এশার নামাজের পর থেকে ফজরের ওয়াক্তের আগপর্যন্ত তথা সাহ্রির শেষ সময় পর্যন্ত তারাবিহর নামাজ পড়া যায়। একসঙ্গে ২০ রাকাত পড়তে না পারলে আলাদাভাবেও পড়া যাবে।
অন্যায়ের মুখে কখন প্রতিবাদ করব, কখন চুপ থাকব—কোরআন ও হাদিস এর ভারসাম্যের পথ দেখায়। জুলুমের শিকার হলে কথা বলা অধিকার, কিন্তু মন্দ কথা আল্লাহ পছন্দ করেন না। সঠিক সময়, নিয়ত ও ভাষায় সিদ্ধান্ত নিন।
ভিড়ের মাঝেও একাকীত্ব অনুভব করেন? কোরআন এর ব্যাখ্যা দিয়েছে সুরা কাফ, ত্বহা ও রাদসহ বিভিন্ন আয়াতে। আল্লাহর স্মরণই হৃদয়ের শূন্যতা ভরে, প্রশান্তি দেয়। ইমাম গাজ্জালি ও ইবনুল কাইয়িমের উক্তি উল্লেখ করে লেখক ব্যাখ্যা করেছেন।
রমজানে কোরআনের ছোঁয়ায় মুমিনের অন্তর উদ্বেলিত হয়, হৃদয়ে নামে হেদায়েতের বসন্ত। আর সে বসন্ত পূর্ণতা পায় তারাবির নামাজে কোরআন পাঠের মাধ্যমে।
ভালো কাজের মাধ্যমেও ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব, যদি তাতে নিষ্ঠা থাকে। রাসুলের কাছে একবার বলা হলো যে এক ব্যক্তি রাতে তাহাজ্জুদ পড়ে কিন্তু সকালে চুরি করে।
ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্য, অন্য কারও জন্য নয়। এই চিরন্তন মহাসূত্র অনুসরণ করেই নবী-রাসুলেরা চরিত্রের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিলেন।
প্রতিটি প্রায় একই রকম আয়াতের মধ্যে শব্দের সামান্য অদলবদল, একটা শব্দের আগে-পরে হওয়া বা বাক্যের গঠনে ছোট কোনো পরিবর্তন, যা নিছক কাকতালীয় নয়।
এর অর্থ এই নয় যে বৈজ্ঞানিক ভাষাকে ধর্মীয় ভাষা দ্বারা প্রতিস্থাপন করতে হবে। বরং উভয়কে এমন একটি বৃহত্তর ব্যাখ্যামূলক কাঠামোর মধ্যে স্থাপন করতে হবে।