
তাড়াহুড়োর মনস্তত্ত্ব: কোরআন কী বলে
‘এখনই ফলাফল চাই’—এমন মানসিকতা আমাদের সবার মধ্যেই আছে। প্রশ্ন হলো, এটি সামলাব কীভাবে? পবিত্র কোরআন এ প্রশ্নের চমৎকার সমাধান দিয়েছে।

‘এখনই ফলাফল চাই’—এমন মানসিকতা আমাদের সবার মধ্যেই আছে। প্রশ্ন হলো, এটি সামলাব কীভাবে? পবিত্র কোরআন এ প্রশ্নের চমৎকার সমাধান দিয়েছে।

রমজানে কোরআনের ছোঁয়ায় মুমিনের অন্তর উদ্বেলিত হয়, হৃদয়ে নামে হেদায়েতের বসন্ত। আর সে বসন্ত পূর্ণতা পায় তারাবির নামাজে কোরআন পাঠের মাধ্যমে।

জীবনের নানা ব্যস্ততায় খতম সম্পন্ন করা হয়ে ওঠে না। এই নিবন্ধে ১০টি কার্যকর পদ্ধতি তুলে ধরা হলো, যা রমজানে কোরআন খতম করতে সহায়তা করবে।

রোজা সেই প্রশিক্ষণের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর উদ্দেশ্য কেবল ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করা নয়; বরং তাকওয়া অর্জন, আত্মসংযম শেখা এবং আল্লাহকেন্দ্রিক জীবন গঠন করা।

শত বছরের পুরোনো প্রথা মেনে পাহাড়ের চূড়ায় আগুন জ্বালিয়ে ইফতারের সময় ঘোষণা করা হয়। আগুনের শিখা দেখে গ্রামের মানুষ বুঝতে পারে রোজা ভাঙার সময় হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘হিফযুল কোরআন ও কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা-২০২৬’ (সিজন ২) এর উদ্বোধন করা হয়।

রমজানে কোরআন শিক্ষা করা, কোরআন শেখানোর উদ্দেশ্যে জমায়েত হওয়া এবং অধিকহারে কোরআন তেলাওয়াতে মগ্ন থাকা—এসব আমল বিশেষভাবে মুস্তাহাব ও ফজিলতপূর্ণ বিবেচিত হয়েছে।

রমজান মাস কোরআন অনুশীলনের সর্বোত্তম সময়। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘রমজান মাস, যে মাসে নাজিল করা হয়েছে আল কোরআন, মানুষের জন্য হিদায়াত রূপে এবং পথনির্দেশনার প্রমাণ ও সত্য-মিথ্যা পার্থক্য নিরূপণকারী হিসেবে।’

এশার নামাজের পর থেকে ফজরের ওয়াক্তের আগপর্যন্ত তথা সাহ্রির শেষ সময় পর্যন্ত তারাবিহর নামাজ পড়া যায়। একসঙ্গে ২০ রাকাত পড়তে না পারলে আলাদাভাবেও পড়া যাবে।

দার্শনিক প্রশ্ন অনেক সময় কেবল প্রশ্নের খাতিরেই করা হয়, কিন্তু কোরআনের প্রশ্ন মানুষকে এক গভীর জীবনবোধ ও নৈতিক দায়বদ্ধতার দিকে নিয়ে যায়।

প্রযুক্তির ব্যবহার ইসলামে নিষিদ্ধ নয়, তবে যুক্তিশীল সুনির্দিষ্ট সীমা থাকা জরুরি। এআইকে টুল হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু ফতোয়া প্রদানকারী হিসেবে গ্রহণ করা বিপজ্জনক।

মুসলিম উম্মাহর আত্মিক গঠন ও সামাজিক বিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আল্লাহ–তাআলা এই দুই পর্যায়ে কোরআন নাজিল করেছেন। আয়াতের সঠিক মর্মার্থ বোঝার জন্য এটি অপরিহার্য।