গণমাধ্যমে ‘ভয়ানক’ খবর প্রকাশ নিয়ে এপস্টেইনকে পরামর্শ দিয়েছিলেন চমস্কি
সম্প্রতি জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত আরও লাখ লাখ নথি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
সম্প্রতি জেফরি এপস্টেইন-সংক্রান্ত আরও লাখ লাখ নথি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এপস্টেইন কেলেঙ্কারির ভয়াবহতায় একটি দ্বীপের গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা সম্ভবত কাকতালীয় কিছু নয়। এই কেলেঙ্কারি এখন আমেরিকার অভিজাত শ্রেণির বিস্তৃত অংশকে জড়িয়ে ফেলেছে। এটি আধুনিকতার একটি কল্পনা ও তার অন্যতম নৃশংস নৈতিক বিভীষিকাকে একসঙ্গে সামনে নিয়ে এসেছে।
ওই নারী এপস্টিনের সম্পত্তি থেকে সর্বোচ্চ ১০ কোটি ডলার মূল্যের সম্পদ পেতে পারেন।
ইতিহাসের পাতায় তাকালে দেখা যায়, ক্ষমতার সর্বোচ্চ শিখরে থেকে যৌন কেলেঙ্কারিতে জড়ানো বা আইনি মারপ্যাঁচে পড়া রাষ্ট্রনায়কদের তালিকা বেশ দীর্ঘ।
জেফরি এপস্টিন বিতর্কের পর বিল গেটসের ফাউন্ডেশনে অনুদান বন্ধ করলেন ওয়ারেন বাফেট। গত দুই দশকে তিনি এই সংস্থাকে ৪৭ বিলিয়ন ডলার প্রদান করেছিলেন।
মার্কিন বিচার বিভাগ এখনো এপস্টিন–সংক্রান্ত কিছু নথি প্রকাশ না করার অবস্থানে অটল রয়েছে।
জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে কংগ্রেসের মুখোমুখি হচ্ছেন গেটস। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ যাচাই হয়নি।
জেফরি এপস্টিনের গোপন নথিতে ফাঁস হলো মডেলিং এজেন্টের অন্ধকার জগৎ।
এপস্টিন ২০১৯ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে মারা যান
নিউইয়র্কের ট্রাইবেকা এলাকায় জেফরি এপস্টিন-সংক্রান্ত ৩৫ লাখ পৃষ্ঠার নথি নিয়ে একটি গ্রন্থাগার উন্মুক্ত হয়েছে। ‘ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প অ্যান্ড জেফরি এপস্টিন মেমোরিয়াল রিডিং রুম’ নামে পরিচিত এই প্রদর্শনী ৮ থেকে ২১ মে পর্যন্ত চলবে। এপস্টিনের অপরাধের দলিলগুলো জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বিচারক জেফরি এপস্টিনের হাতের লেখা ‘আত্মহত্যার নোট’ প্রকাশ করেছেন। নোটে লেখা ‘নিজের বিদায়ের সময় বেছে নেওয়া সৌভাগ্য’। ২০১৯ সালের ১০ আগস্ট কারাগারে এপস্টিনের মরদেহ পাওয়া যায়।
এপস্টিন ফাইল আমাদের শেখায়, ডিজিটাল যুগে কোনো তথ্য হারায় না—সব স্থায়ী হয়ে থাকে। এটি ক্ষমতাবানদের অপরাধ উন্মোচন করে এবং সাধারণ মানুষের জীবনেও নজরদারির সংস্কৃতি তৈরি করছে। আমরা কি এই স্থায়ী স্মৃতির জন্য প্রস্তুত?