মানুষের মুখ, মানুষের প্রত্যাশা
আমার দেশ তো কোনো যুদ্ধক্ষেত্র নয়। অথচ আমাকে মানুষকে বলতে হচ্ছে, তার পাশের মানুষটাকে গুলি করা হলে তাকে কীভাবে বাঁচাবে
আমার দেশ তো কোনো যুদ্ধক্ষেত্র নয়। অথচ আমাকে মানুষকে বলতে হচ্ছে, তার পাশের মানুষটাকে গুলি করা হলে তাকে কীভাবে বাঁচাবে
৫ আগস্ট ২০২৪, বেলা তিনটা। কিছুক্ষণ আগে ঘোষণা এসেছে, খুনি শেখ হাসিনা পালিয়েছেন।
সচেতন একজন নাগরিক হিসেবে আমি অনেক দিন ধরেই দেশের বিভিন্ন আন্দোলন অনুসরণ করে আসছিলাম। যেমন নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন।
২০২৪ সালের ৫ জুন জানতে পারি সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা পুনর্বহাল হয়েছে। খবরটি আমাকে ভীষণ নাড়া দেয়।
র্যাপারদের অপ্রমিত গানে ভাষা পাওয়া প্রখর এসব প্রশ্নের তোড়েই কিনা জানি না, ১৮ জুলাই থেকে বন্ধ হয়ে গেল দেশের ইন্টারনেট।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্ণ হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের যে সংগ্রাম ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দেশবাসীকে আবেগে উদ্বেল করে তুলেছিল, তারই বিজয়ের দিন ‘৩৬ জুলাই’ বা ৫ আগস্ট।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস এবং সাধারণ মানুষের অবদানকে মনে রাখার আহ্বান জানিয়ে লিখেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ও নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক প্রাপ্তি তাপসী।
চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের দিনগুলোয় যখন লাশের সারি বাড়ছে, যখন ক্রমেই আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে জনতার সঙ্গে আওয়ামী লীগের মরণপণ লড়াই অত্যাসন্ন, তখন এ দেশের ‘প্রগতিশীল’ হিসেবে পরিচিতদের ভূমিকা বেশ নাজুক ছিল।
তালেবান উত্তর আফগানিস্তানে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের জন্য তাজিক ও উজবেক কমান্ডারদের নিয়োগ দিয়েছিল। এই কমান্ডাররা স্থানীয় পর্যায়ে জনগণকে সংগঠিত করতে সক্ষম ছিলেন। কিন্তু ২০২১ সালে ক্ষমতা দখলের পর এসব কমান্ডারদের অনেককেই গ্রেপ্তার, পদাবনতি ও নিরস্ত্র করা হয়েছে। অনেককে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে।
জাতীয় ঘটনার সাক্ষী হওয়ার যদি কোনো ন্যূনতম মানদণ্ড থেকে থাকে, তাহলে আমি বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মতো বিশাল একটা ঘটনার সাক্ষী হওয়ার সুযোগ হারিয়েছি।
জুলাই গণ–আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় যখন যোগাযোগ সীমিত, তখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ৯ দফা ঘোষণা করে আলোচনায় আসেন অন্যতম সমন্বয়ক আবদুল কাদের।
বাড়ির অন্দরসজ্জা শুনলেই মনে আসে এখন নান্দনিকতা, প্রযুক্তি ও আভিজাত্যের মেলবন্ধন।