দ্রুতই কমে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় তেল মজুত, কী হবে এরপর
ইরান যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালি সংকট ও তেলের ঘাটতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র জরুরি মজুত থেকে রেকর্ড পরিমাণ তেল ছাড়ছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানিবাজারে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ইরান যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালি সংকট ও তেলের ঘাটতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র জরুরি মজুত থেকে রেকর্ড পরিমাণ তেল ছাড়ছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানিবাজারে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার দাবির মধ্যে গতকাল পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তেহরান সফরের কথা সংবাদমাধ্যমে এসেছে।
ইরানের বিরুদ্ধেও ‘টাকো ট্রাম্প’ একই রকম হুমকি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে এমনভাবে গুঁড়িয়ে দেবেন যে ইরানি সভ্যতা বলে কিছু থাকবে না।
ইরান যুদ্ধকালে মধ্যপ্রাচ্যের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ বন্ধ করেছে মার্কিন কোম্পানি প্ল্যানেট ল্যাবস। ট্রাম্প প্রশাসনের অনুরোধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে প্রতিপক্ষ হামলা না চালাতে পারে। নাসার সাবেক বিজ্ঞানী ২০১০ সালে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন।
আয়াতুল্লাহ খামেনিকে প্রথমে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ভারতকে ৩০ দিনের শুল্কছাড় দিয়েছে।
ইরানের হামলায় সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে তেল রপ্তানির একমাত্র পথ। এতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট আরও গভীর হতে পারে। আইআরজিসি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করতে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মতৈক্যে পৌঁছেছে।
১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে, ভিয়েতনাম যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র পুরুষদের বাধ্যতামূলকভাবে যুদ্ধে পাঠাতে নিয়োগ দিয়েছিল
ইরান ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া এই যুদ্ধ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এমন এক অস্থিরতা তৈরি করেছে, যা সাময়িক ধাক্কা বলে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।
ট্রাম্পের দাবি, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করাই এ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
নিজেদের সমৃদ্ধ করা ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই দেশের বাইরে যেতে দেবে না ইরান।