
মুক্তিযুদ্ধের চিত্র ধারণ করা আলোকচিত্রী রঘু রাই মারা গেছেন
রঘু রাইয়ের ছেলে, আলোকচিত্রী নীতিন রাই জানিয়েছেন, গত দুই বছর ধরে তাঁর বাবা ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন।

রঘু রাইয়ের ছেলে, আলোকচিত্রী নীতিন রাই জানিয়েছেন, গত দুই বছর ধরে তাঁর বাবা ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন।

রাহীরা থাকে রাজশাহী নগরের কাজলায়। বাবা সাঈদ রিকশাচালক। মা যুথী বেগম গৃহিণী। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়তে শুরু করায় সংসারে টানাটানি শুরু হয়েছে।

ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়ে উচ্চশিক্ষার কাজে বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, তখন হঠাৎ আবিষ্কার করলাম যে আমাদের পরিবারের চারজনের নামই ভোটার তালিকা থেকে উধাও হয়ে গেছে। বাবা, আমার দুই ভাই–বোন ও আমার নাম সেই তালিকা থেকে পুরোপুরি মুছে ফেলা হয়েছে।

বয়ঃসন্ধি বা তার পরবর্তী সময়ে সন্তানরা যখন শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়, তখন মা-বাবার ভূমিকা কেবল শাসনকর্তা নয়, বরং একজন সহমর্মী বন্ধুর হওয়া প্রয়োজন।

দীর্ঘক্ষণ লিফটে আটকে থাকায় কিশোরটি আতঙ্কগ্রস্ত (ট্রমা) হয়ে পড়েছে বলে তার বাবা জানান। তার শ্বাসকষ্টের জটিলতা আছে। ভেতরে ফ্যানও ছিল না। কাজ করেনি অ্যালার্ম।

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে নিয়ামতপুর থানায় এ হত্যা মামলা করেন নিহত গৃহবধূ পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন।

সেঞ্চুরির পর বাবার সঙ্গে দীর্ঘদিনের এক অদ্ভুতুড়ে অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন অভিষেক শর্মা। সেই অনূর্ধ্ব-১২ পর্যায় থেকে রীতিটি আজও মেনে চলেন।

এ বছর লোকসাহিত্য গবেষণা, সাহিত্যসৃষ্টি ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়েছে। পুরস্কারটি ঘোষণার পর আনন্দে আর উত্তেজনায় সারা রাত জেগে থেকে আনমনে বাবার সঙ্গে কথা বলেছি।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় এক শিশুকে হত্যার অভিযোগে দুই ভাইকে (অভিযুক্ত কিশোরের বাবা ও চাচা) গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনায় তিন দিন পর থানায় মামলা হয়েছে।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় শিশুকে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত কিশোরের বাবা ও চাচাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। আজ শনিবার দুপুরে শিশুকে হত্যার ঘটনায় একটি মামলা হলেও অন্য ঘটনায় মামলা হয়নি।

২০১৫ সালে এক নারী নিখোঁজের তদন্তে বেরিয়ে আসে, পরিবারের অমতে পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করায় ক্ষোভ থেকে তাঁকে হত্যা করেন বাবা।

ঝিনাইদহের পাঁচ বছরের শিশু মাসুমার হার্টে ছিদ্র ধরা পড়েছে। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ছয় লাখ টাকা, যা জোগাড় করতে না পেরে অসহায় পরিবারটি দিশাহারা। মেয়েটিকে বাঁচাতে সমাজের সহায়তা কামনা করেছেন তার মা–বাবা।