ইরান যুদ্ধের খরচ টানতে গিয়ে যে বিপাকে পড়েছে আমেরিকানরা
এই যুদ্ধের খরচ শুধু অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জামে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব ইতিমধ্যেই সাধারণ মার্কিন নাগরিকের জীবনে পড়তে শুরু করেছে।
এই যুদ্ধের খরচ শুধু অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জামে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব ইতিমধ্যেই সাধারণ মার্কিন নাগরিকের জীবনে পড়তে শুরু করেছে।
ইরানের অনুরোধে হুতিরা দক্ষিণ ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে লোহিত সাগর ও বাব আল–মানদেব প্রণালিতে মার্কিন রণতরির চলাচল ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য বড় অভিযানকে মন্থর করাই তাদের লক্ষ্য। এছাড়া সৌদি পাইপলাইন নিয়ে নতুন সম্ভাবনাও উঠে এসেছে।
হঠকারী এবং দিশাহারা ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে নিজের শুরু করা এই বিপর্যয়কর যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজে পাচ্ছেন না। মার্কিন সামরিক বাহিনী আবারও দেশটিতে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। আগের মতোই, এই বেআইনি হামলাগুলো কট্টরপন্থী একটি সরকারের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করছে।
ভিসা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বায়োমেট্রিক আঙুলের ছাপ দিতে বেন-গভিরকে সশরীর দূতাবাসে উপস্থিত হতে হবে বলে মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম শনিবার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকে অবরুদ্ধ ১ হাজার ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের সম্পদ মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
হুমকি ও পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেও হরমুজ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি পণ্যবাহী জাহাজ পাড়ি দিয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন বাহিনী। প্রণালিটির দক্ষিণাঞ্চলে একটি নিরাপদ এলাকা গড়ে তোলার কথাও জানিয়েছে তারা।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ বন্ধে আরও আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ইরানের ১০ দফার প্রস্তাব ব্যবহারে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের এই প্রস্তাবে অনাক্রমণের নিশ্চয়তা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন দাবি রয়েছে।
মাত্র ১৫ সপ্তাহ আগে সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।’
প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়া এবং আঞ্চলিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরান আর বিপ্লবী রাষ্ট্র নয়। এটি এখন এক ভীত, কোণঠাসা ধর্মতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, যা আতঙ্ক নিয়ে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে আছে। তারা শুধু মার্কিন যুদ্ধজাহাজ বা ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের ভয়ে আছে, এমনটা নয়।
টানা সপ্তম দিন ইরানের সামরিক-বেসামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা। জবাবে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে মার্কিন স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা।
ইরানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে হামলা শুরুর কথা বলছে যুক্তরাষ্ট্র; দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার পাল্টা জবাব দিতে এসব হামলা চালানো হচ্ছে।