১২ ঘণ্টার জন্য যৌন সম্পর্ক করতে পারবে অবিবাহিতরা! অদ্ভুত গল্পের সিনেমা
কেবল বছরে একটি নির্দিষ্ট রাত—মাত্র ১২ ঘণ্টার জন্য সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। অবিবাহিত মানুষ ওই রাতেই কেবল আইন ভাঙার ভয় ছাড়াই যৌন সম্পর্ক করতে পারে।
কেবল বছরে একটি নির্দিষ্ট রাত—মাত্র ১২ ঘণ্টার জন্য সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। অবিবাহিত মানুষ ওই রাতেই কেবল আইন ভাঙার ভয় ছাড়াই যৌন সম্পর্ক করতে পারে।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামালের প্রিয় ভ্রমণস্থল থাইল্যান্ড। সেখানকার মানুষ, সংস্কৃতি এবং সমুদ্রসৈকতের প্রতি তার বিশেষ অনুরাগের কথা উঠে এসেছে ‘ফিরে ফিরে যাই’ বিভাগে।
গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৮৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ।
এসব সমাবেশে এমন মানুষদের দেখতে পাই, যাঁরা আগে কখনো শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাস্তায় নামেননি। আর জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে এসে মনে হলো, অনেকের মধ্যেই এই বোধ সঞ্চালিত হয়েছে, যত মানুষ মারা যাক, যা কিছু হোক, রাজপথ ছেড়ে যাওয়া সম্ভব না।
রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ‘বর্ষা বিপ্লবের গান’ শিরোনামে কনসার্টে হাজারো মানুষ অংশ নেন; বক্তব্যে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্মরণসহ ঐক্যের বার্তা দেন বিএনপি ও এনসিপির সংসদ সদস্যরা।
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আয়োজিত কনসার্টে ঋআজ মোর্শেদ ও তাঁর দল, নাহিদ অ্যান্ড ম্যাজিশিয়ানস, র্যাপার তাহমীদ, পারশা মাহজাবীন, এভয়েড রাফা, আরবোভাইরাস ও কুঁড়েঘরসহ বিভিন্ন শিল্পীর গান পরিবেশনায় হাজারো মানুষ উপস্থিত হন।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘কনসার্ট ফর ডেমোক্রেসি’ আয়োজন হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। বৃষ্টির মধ্যেও গান-ভরা পরিবেশে কণ্ঠ মেলান হাজারো মানুষ। বেলা তিনটার শুরুর কথা এক ঘণ্টা পিছিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে কনসার্ট।
দেশে প্রায় ৭ লাখ মানুষ অন্ধত্ব নিয়ে জীবনযাপন করছেন, তাঁদের ৮০ শতাংশ ছানির কারণে চোখে দেখতে পান না।
কোটি কোটি টাকার সংস্কারের পরও টেকসই হয়নি গোপালগঞ্জ-তালা-কেকানিয়া সড়ক। টানা বৃষ্টিতে আবারও ধসে পড়েছে সড়কের অংশ, যার ফলে লক্ষাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
সেউতার দৃশ্যগুলো ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। হাজার হাজার অসহায় মানুষ মরক্কো থেকে স্পেনের ওই ছিটমহলে ঢোকার চেষ্টা করেন।
দেড় দশকে জমা হওয়া বঞ্চনা আর নালিশ নিয়ে মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল। দীর্ঘদিনের নিপীড়নের শৃঙ্খল ভেঙে নেমে আসা মানুষেরা বোধগম্যভাবেই অসহিষ্ণু ছিল।
ফোরকান বলেন, ‘দুপুরের খাবারটা মানুষ তৃপ্তি মতন খায়। সেই রান্নাটাই করতে পারি না। ডিমটা পর্যন্ত ভাজা যায় না। চিড়া–কলা খায়া থাকতে হয়।’