যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা চুক্তিতে যেসব বিষয় থাকতে পারে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ বন্ধে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান সমঝোতা আলোচনায় অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন দুই দেশের কর্মকর্তারা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ বন্ধে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান সমঝোতা আলোচনায় অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন দুই দেশের কর্মকর্তারা।
যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা করতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভি; যদিও ইউরেনিয়ামের মজুত এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার মূল বিরোধগুলো এখনো কাটেনি।
২০২৬ সালে ইরানবিরোধী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পিছু হটা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। ইরানের শক্তি ও প্রতিরক্ষা ক্ষমতা অবমূল্যায়ন করায় এই যুদ্ধ ভুল প্রমাণিত হয়েছে। আধুনিক যুদ্ধের প্রযুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আর সুবিধাজনক নয়।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) প্রতিবেদন।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও সতর্কতা বজায় রেখেছে মার্কিন বাহিনী। ট্রাম্প শর্ত মেনে নিলে যুদ্ধ শেষ করবেন বলেছেন।
নেতানিয়াহু একাই এই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এর মধ্যে টেনে এনেছিলেন।
ইরানের হরমুজ প্রণালি অবরোধের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি যুদ্ধ থেকে অর্থনৈতিক যুদ্ধের পথে হেঁটেছেন। এই কৌশল মূলত নতুন করে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানে হামলা করা ছাড়াই সংঘাত শেষ করার চেষ্টা।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের হাইফায় এক ভবন ধসে চারজন নিহত হয়েছেন। মধ্যাঞ্চলে গুচ্ছবোমা হামলায় আহত হয়েছেন কয়েকজন। যুদ্ধ শুরুর পর ইরান ৫০০-এর বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।
হরমুজ প্রণালী সচল রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। জাতিসংঘে প্রস্তাব তুলে সামরিক সহায়তার পথ খুঁজছে আমিরাত। উপসাগরীয় দেশগুলো যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুধু সামরিক নয়, বিশ্বাস ও শহীদির ধারণার ওপর নির্ভরশীল। বাইরের আঘাত কখনো ইরানের শক্তি বাড়িয়ে দিতে পারে, কারণ এটি তাদের ‘পবিত্র প্রতিরোধ’-এর গল্পকে জাগিয়ে তোলে। এই প্রবন্ধে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে শিয়া ঐতিহ্য ও জাতীয়তাবোধ ইরানকে টিকিয়ে রাখছে।
যুদ্ধ শুরুর পর বিকল্প উৎস থেকে তেল–গ্যাস সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তবে চাহিদা অনুযায়ী নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে না।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধ করতে পাকিস্তান, মিসর ও তুরস্ক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।