এপস্টেইন–ঝড়ে স্টারমারের রাজনৈতিক শক্তি নড়বড়ে
এপস্টেইন নথি ঘিরে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্টারমার।
এপস্টেইন নথি ঘিরে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্টারমার।
প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক খাতে যৌথভাবে কাজ করতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাজ্য ও জাপান। জাপান সফররত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার গতকাল শনিবার এ কথা বলেন।
গত সোমবার স্টারমার বলেছেন, ‘আমরা কোনো বিকল্পই বাদ দিচ্ছি না। শিশুদের সুরক্ষায় পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহাম। সোমবার (২০ জুলাই) বাকিংহাম প্যালেসে রাজা চার্লস তৃতীয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যভার গ্রহণ করবেন। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি। এর মাধ্যমে ২০১৬ স
আঙ্কারায় আয়োজিত শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়া প্রতিটি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের একই ধরনের উপহার দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং পদত্যাগ করে কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে প্রশ্ন তুলেছেন। ৪৩ বছর বয়সী এই নেতা বলেন, ‘এটি এখন পরিষ্কার যে, আপনি আগামী সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টির নেতৃত্ব দিতে পারবেন না।’ এতে লেবার পার্টিতে সংকট গভীর হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং পদত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে খবর। এতে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বের সংকট আরও গভীর হয়েছে। লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা বেড়েছে স্থানীয় নির্বাচনী পরাজয়ের পর।
যুক্তরাজ্যের আবাসন ও কমিউনিটি মন্ত্রণালয়ের জুনিয়র মন্ত্রী মিয়াত্তা ফানবুলে মঙ্গলবার পদত্যাগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ দাবি করে তিনি চিঠিতে জনগণের আস্থা হারানোর কথা উল্লেখ করেছেন। এর আগে চার পিপিএসও ইস্তফা দিয়েছেন।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ দাবিতে লেবার পার্টিতে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। চারজন পিপিএস পদত্যাগ করেছেন এবং ৭০ জন এমপি একই আহ্বান জানিয়েছেন। গত স্থানীয় নির্বাচনে দলের পরাজয় এর মূল কারণ।
যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় পরাজয় এবং রিফর্ম ইউকের উত্থান রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। নাইজেল ফারাজের দলের অগ্রগতি এবং গ্রিন পার্টির শক্তি দ্বিদলীয় ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করছে। বিশ্লেষকরা এতে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বের ওপর চাপ দেখছেন।
এ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কিয়ার স্টারমারের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।
এপস্টেইনের নথিতে নাম থাকা এবং তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ম্যান্ডেলসন বিতর্কের মধ্যে আছেন