আস-সুফফা: মদিনায় নবীজি (সা.)-এর আবাসিক মাদ্রাসা
এই মাদ্রাসারই শ্রেষ্ঠ ফসল আবু হোরাইরা (রা.), যিনি সর্বোচ্চ হাদিস বর্ণনাকারী। অন্যদিকে কেয়ামত–পূর্ব সময়ের হাদিস সংরক্ষণে প্রসিদ্ধি পান হোজাইফা (রা.)।
এই মাদ্রাসারই শ্রেষ্ঠ ফসল আবু হোরাইরা (রা.), যিনি সর্বোচ্চ হাদিস বর্ণনাকারী। অন্যদিকে কেয়ামত–পূর্ব সময়ের হাদিস সংরক্ষণে প্রসিদ্ধি পান হোজাইফা (রা.)।
মুহাজির, আনসার এবং বনু হাশিম (নবীবংশের) সাহাবিদের তিনটি পৃথক দল ছিল মজলিশে। কথা প্রসঙ্গে বিতর্ক সৃষ্টি হলো, আমাদের মধ্যে কারা নবীজির সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও প্রিয়পাত্র
ইসলামের প্রথম যুগে নারী সাহাবিরা হস্তশিল্প, ব্যবসা, কৃষি, চিকিৎসা ও যুদ্ধসেবায় সক্রিয় ছিলেন। পরিবারের সহায়তা ও সদকার উদ্দেশ্যে তাঁরা শালীনতা রক্ষা করে কর্মজীবী হয়েছিলেন। হাদিস ও ঐতিহাসিক বর্ণনায় তাঁদের ভূমিকা স্পষ্ট।
মহানবী (সা.) অধীনস্থ শ্রমিক, খাদেম ও কর্মচারীদের প্রতি দয়া, সম্মান ও ন্যায়বিচারের আচরণ করতেন। সাহাবি আনাস (রা.)-এর বর্ণনায় তাঁর সেবার অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন হাদিসে অধীনদের অধিকার ও দায়িত্বের কথা উল্লেখ আছে। এ শিক্ষা ইমানের অংশ।
জুলাইবিব নামের এক অখ্যাত সাহাবির বিয়ে কীভাবে নবীজির মধ্যস্থতায় সম্পন্ন হয়—এ ইতিহাস মুসনাদে আহমাদ ও সহিহ মুসলিমে বর্ণিত।
পিতার শেকলে বন্দি থেকেও দুই ভাইয়ের ধর্মীয় দায়বোধ ও সংগ্রামের নানা পর্যায়—বদর, হোদাইবিয়া ও মক্কা বিজয়ের প্রেক্ষাপটে বর্ণিত।
তিনি উটের পিঠ থেকে নামার উদ্যোগ করতেই আলী ও আবু লুবাবার বুক কেঁপে উঠল। মরুভূমির তপ্ত বালুতে নবীজি হাঁটবেন, আর তাঁরা উটের পিঠে আরাম করবে?
খলিফা ওমর (রা.) তাকে সামনে ডেকে আনলেন। পারস্য সম্রাটের সেই ভারী স্বর্ণের জামা, মাথায় রত্নখচিত মুকুট এবং হাতে কিসরার ঐতিহাসিক দুটি স্বর্ণবালা সুরাকাকে পরিয়ে দেওয়া হলো।
ওমরের মতো একজন দূরদর্শী, নিষ্ঠাবান সাহাবিও যখন তাৎক্ষণিক প্রজ্ঞা ধরতে হিমশিম খেয়েছিলেন, তখন উম্মে সালামার পরামর্শের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়।
একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, হিজরতের ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল রবিউল আউয়াল মাসে, তাহলে হিজরি বছরের প্রথম মাস হিসেবে মহররমকে নির্ধারণ করা হলো কেন?
নবাগতের নাম রাখা হয় ‘সালামা’। আর সেই দিন থেকেই আবদুল্লাহ ও হিন্দ দম্পতি আরবের প্রথা অনুযায়ী নতুন কুনিয়াত বা সম্বোধনে পরিচিত হয়ে ওঠেন—‘আবু সালামা’ ও ‘উম্মে সালামা’।
একবার ক্ষুধার তীব্রতায় পথ থেকে কুড়িয়ে পাওয়া একটি স্বর্ণমুদ্রা দিয়ে কেনা আটার রুটি বানিয়ে ক্ষুধা নিবারণ করেছিলেন। তবে অন্তরে ছিল আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস।