মুখস্থের খাঁচা ভেঙে কল্পনার মুক্তি: যাদবপুরের প্রশ্নপত্র ও আমাদের শিক্ষা দর্শন
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার সৃজনশীল প্রশ্নপত্রের আলোচনা এবং বাংলাদেশের প্রচলিত মুখস্থনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার সাথে এর তুলনামূলক বিশ্লেষণ।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার সৃজনশীল প্রশ্নপত্রের আলোচনা এবং বাংলাদেশের প্রচলিত মুখস্থনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার সাথে এর তুলনামূলক বিশ্লেষণ।
সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের স্নাতক প্রবেশিকা পরীক্ষার একটি প্রশ্ন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব আলোচনা হচ্ছে।
শিক্ষাকে প্রায়ই তথ্য জানা, সনদ লাভ ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার একটি মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়।
পিতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের বোঝা তাঁর অন্তরে গভীরভাবে চেপে বসেছিল। অনুশোচনায় কাতর আবু ইনান আলেমদের ডেকে এনে জিজ্ঞেস করেছিলেন কীভাবে তিনি ক্ষমা পেতে পারেন।
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিনে ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
আইয়ুবি শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল—রাজকোষের বাইরে ওয়াকফ্ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে এমন একটা স্বনির্ভর শিক্ষাকাঠামো গড়া, যা শাসক বদলালেও টিকে থাকতে পারে।
আমরা এমন একটি প্রজন্ম চাই, যারা শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করবে না; বরং তারা হবে মানবিক, নান্দনিক, আধুনিক ও আত্মবিশ্বাসী। পূর্ণরূপে বিকশিত আর আনন্দিত শৈশবই পারে আগামী দিনের সহনশীল, মানবিক ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে। আমরা সেই প্রজন্মের পথ চেয়ে আছি। তাই চিত্র, গীতি, সুর ও ছন্দে বিকশিত হোক আমাদের প্রতিটি শিশুর শৈশব।
ষষ্ঠ শ্রেণিতে ২০২৬ সালে ভর্তি হওয়া অনিকের বাড়ি নিমদীঘি গ্রামে। বাবা নিরিপদ মুন্ডা পেশায় একজন ভ্যানচালক এবং মা অনিতা রানী একজন গৃহিণী। নিজের কোনো জমিজমা না থাকায় সংসারের চাকা সচল রাখতে অনিকের মাকেও অন্যের জমিতে শ্রম দিতে হয়।
‘মিড–ডে মিল’ কর্মসূচি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এই কর্মসূচিতে যেসব অনিয়ম দেখা গেছে, তার প্রতিকারের জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। তা ছাড়া সরকার মেয়েদের জন্য বিনা মূল্যে স্নাতক শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার সুযোগ দিতে চায়। কিন্তু এখানে খেয়াল রাখা দরকার, কেবল অর্থসংকট নয়, সামাজিক নিরাপত্তার অভাবেও অনেক মেয়েশিশু পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাঋণ ও বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বিশেষ ব্যাংকঋণ কর্মসূচি চালুর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি চিকিৎসা শিক্ষা ও প্রবাসীকল্যাণে নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মৌলিক পরিবর্তন করতে হলে বৈশ্বিক গতিপ্রকৃতি যেমন বুঝতে হবে, তেমনি আমাদের দেশীয় উদ্ভাবনী শিক্ষা-উদ্যোক্তাদের সঙ্গেও রাষ্ট্রকে মুক্তমনে সংলাপে বসতে হবে।
একটা শিশুর মুখের কথা মনে পড়ছে। চট্টগ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম কয়েক বছর আগে।