জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে চেয়ারপারসন ও চার কমিশনার নিয়োগ
প্রায় দেড় বছর ধরে অচল থাকার পর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন ও চার কমিশনার নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
প্রায় দেড় বছর ধরে অচল থাকার পর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন ও চার কমিশনার নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
সংস্থাটি বলছে, ন্যায়বিচারের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় না থাকলে ভুক্তভোগীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, আইনের শাসন ক্ষুণ্ন হবে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে বিচার হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
বেঙ্গল ডেলটা কনফারেন্সে নিরাপত্তা বাহিনী ও বিচার বিভাগের জবাবদিহিতা এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়া নিয়ে আলোচনা করেন সারা হোসেন ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা।
গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নির্বাহী বিভাগের একচ্ছত্র আধিপত্য ঠেকাতে বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতার কোনো বিকল্প নেই।
দুর্নীতি দমন কমিশন অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার, গণভোট অধ্যাদেশসহ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ২০টি অধ্যাদেশ চলতি অধিবেশনে অনুমোদন করা হচ্ছে না।
ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের সংশোধনী নিয়ে সংসদে সমালোচনা করেছেন সাইফুল আলম খান।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি
জাতিসংঘের ১৯৯৩ সালের প্যারিস নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি দেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি স্বাধীন নজরদারি ও অনুসন্ধানী প্রতিষ্ঠান।
এনসিপি সমর্থিত ন্যাশনাল লইয়ার্স অ্যালায়েন্স (এনএলএ) অধস্তন আদালতের ২৮ বিচারককে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টের কারণে শোকজের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়সহ গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিলকেও প্রতিহত করেছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলনে এই অবস্থান জানানো হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড তদন্তের জন্য স্বাধীন কমিশন গঠন করে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
আওয়ামী লীগ শাসনামলের গুমের ঘটনা নিয়ে অনেক কর্মকর্তা তাঁদের অগোচরে এসব ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করলেও গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন বলেছে, এসব ঘটনায় দায়িত্বশীলদের দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার কমিশনের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সরকারের প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আসিফ বিন আলী।