১২ শিক্ষকের মাদ্রাসায় পরীক্ষার্থী ১, তবুও ফেল
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ১২ জন শিক্ষক থাকা একটি মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একমাত্র শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, যা শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ১২ জন শিক্ষক থাকা একটি মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একমাত্র শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, যা শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সব বন্ধ হলেও কিন্ডারগার্টেন ও কওমি মাদ্রাসা এখনো সচল। এমনিতেই সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থী-খরায় ভুগছে বহুদিন। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্নামেরও শিকার। তার ওপর মাসাধিককাল বন্ধের এই সুযোগ নিচ্ছে আবারও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো।
আগামীকাল সকাল ১০টায় এসএসসি ও সমমানের ফলাফল প্রকাশ করা হবে; এসএমএসের জন্য ১৬২২২ এর পাশাপাশি ১৬১৪০ নম্বরটি যুক্ত করা হয়েছে।
এসএসসি ও সমমানের ফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ হবে।
শিশুটি জয়পুরহাট শহরের নতুনহাট এলাকার একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থী। পরিবারের অভিযোগ, গত সোমবার সকালে পড়া না পারার কারণে মাদ্রাসার শিক্ষক জালাল উদ্দিন তাকে বেধড়ক মারধর করেন।
কারিগরি ও মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মচারীদের জন্য বিশেষ অনুদানের ৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিতরণের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ২২৬টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২৯টি...
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল)
এসএসসি ফল প্রকাশের পর একাদশ শ্রেণি, কারিগরি-ভোকেশনাল, মাদ্রাসা, নার্সিং, পলিটেকনিক ও স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন পথের মধ্যে শিক্ষার্থীর আগ্রহ, যোগ্যতা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ। পাশাপাশি সরকারি নীতিমালা অনুসরণ ও বিজ্ঞপ্তি যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ বলছে, যাঁদের পরীক্ষা রয়েছে, প্রবেশপত্র দেখালেই তাঁদের ভেতরে যেতে দেওয়া হচ্ছে। যাঁরা বৈধ শিক্ষার্থী তাঁদের ভেতরে যেতে দেওয়া হলেও দলবল নিয়ে যেতে দিচ্ছে না—কারণ, সেখানে আবারও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে নানা স্তরে বিভক্ত, নীতিগতভাবে অসংলগ্ন ও আইনি দিক থেকে খণ্ডিত। প্রাথমিক শিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষা, মাদ্রাসা, কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা—প্রতিটি ক্ষেত্রে আলাদা আইন ও বিধিমালার মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে।
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা বিশেষ মঞ্জুরির আবেদনের সুযোগ দুই দিন।