কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ১২ জন শিক্ষক কর্মরত একটি মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মাত্র একজন শিক্ষার্থী। তবুও ওই শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি, যা মাদ্রাসাটির শিক্ষার মান ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের দাসনাইপাড়া ইসলামিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে চলতি বছর দাখিল পরীক্ষার জন্য দুজন শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করা হয়। কিন্তু পরীক্ষায় একজন অংশ নেয় এবং প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, ওই শিক্ষার্থীও অকৃতকার্য হয়েছেন।
স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, একটি মাদ্রাসায় ১২ জন শিক্ষক থাকার পরও পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একমাত্র শিক্ষার্থীকে পাস করাতে না পারার বিষয়টি হতাশাজনক। তাদের দাবি, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ ও পাঠদানের মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়ানো উচিত।
প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত সুপার মো. একরামুল হক মুক্তকণ্ঠকে জানান, মাদ্রাসা থেকে দুজন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণ করেছিল। তবে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে একজন এবং ওই শিক্ষার্থীও ফেল করেছে।
নাঙ্গলকোট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউনুস মুক্তকণ্ঠকে জানান, মাদ্রাসাটির শিক্ষকদের বিষয়ে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।