
বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক মহাকাশ স্টেশন তৈরি করছে ভাস্ট
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের বিকল্প হিসেবে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক মহাকাশ স্টেশন তৈরি করছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ভাস্ট।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের বিকল্প হিসেবে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক মহাকাশ স্টেশন তৈরি করছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ভাস্ট।

স্যাটেলাইট যখন বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে পুড়ে যায়, তখন সেগুলো ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ধাতব কণায় পরিণত হয়।

কয়েক দশক ধরে ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ইসরো) ভারতের বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানের গর্ব হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

নিজেদের তৈরি সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট উৎক্ষেপণ করে মহাকাশ অভিযানে নতুন চমক দেখিয়েছে ইউরোপ।

পৃথিবীর জন্মের বহু আগেই মহাকাশে প্রাণের প্রাথমিক উপাদানগুলো তৈরি হতে শুরু করেছিল বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা।

নাসার আসন্ন ক্রু–১২ ও আর্টেমিস–২ অভিযানের নভোচারীরা মহাকাশে স্মার্টফোন সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন।

‘এএসকেএপি জে১৮৩২০৯১১’ নামের অদ্ভুত বস্তু থেকে পাঠানো শক্তিশালী রেডিও তরঙ্গ ও এক্স-রে সংকেতের রহস্য এখনো উদ্ধার করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা।

পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে মহাকাশে ডেটা সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা করেছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন মহাকাশ সংস্থা স্পেসএক্স।

‘টুমোরো বায়ো’ নামে একটি স্টার্টআপ চালু হয়েছে বার্লিনে। এই কোম্পানি ২ লাখ ডলারের বিনিময়ে মৃতদেহ হিমায়িত করে রাখবে।

অদ্ভুত এই ধাতব মেঘ একটি পরিণত গ্রহমণ্ডলীর ভেতরে ঘটা প্রলয়ংকরী কোনো সংঘর্ষের ধ্বংসাবশেষ।

মহাকাশ মানেই রহস্য। সেই রহস্য উন্মোচনে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা।

নাসার অভিজ্ঞ মহাকাশচারী সুনিতা উইলিয়ামস তাঁর ২৭ বছরের কর্মজীবন থেকে অবসরে গেছেন। এর মধ্য দিয়ে মহাকাশ গবেষণায় তিনি অসাধারণ এক যাত্রার সমাপ্তি ঘটিয়েছেন।