বহুজাতিক এক ব্যাংকের মুনাফার অর্থে বিদেশি বিনিয়োগে বড় লাফ
এক বছরে নিট এফডিআই প্রায় ৩৯ শতাংশ বেড়েছে। মূলত পুনর্বিনিয়োগ ও আন্তকোম্পানি ঋণের কারণে এ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
এক বছরে নিট এফডিআই প্রায় ৩৯ শতাংশ বেড়েছে। মূলত পুনর্বিনিয়োগ ও আন্তকোম্পানি ঋণের কারণে এ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও অভ্যন্তরীণ চাপ মোকাবিলায় লেনদেন ভারসাম্য রক্ষায় ২ বিলিয়ন ডলারের বিদেশি ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সাংবাদিকদের সঙ্গে সভায় এ কথা জানান। বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, সরকার দেশি-বিদেশি ঋণের বোঝা আর বাড়াবে না। সামাজিক সুরক্ষার অর্থায়ন স্থানীয় রাজস্ব থেকে হবে এবং রাজস্ব হার না বাড়িয়ে আয় বৃদ্ধির উপায় খুঁজছে তিনটি টাস্কফোর্স। আজ রোববার এনবিআর-এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
গত এপ্রিলে দেশি–বিদেশি ব্যাংকগুলো ৬৭৯ কোটি ডলারের আমদানি ঋণপত্র খুলেছে এবং ৬৫১ কোটি ডলারের নিষ্পত্তি করেছে। আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ পাঁচে ব্র্যাক ব্যাংক, এইচএসবিসি, দি সিটি ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক ও এসসিবি। এর মধ্যে তিনটি দেশি এবং দুটি বিদেশি ব্যাংক।
আওয়ামী লীগ সরকারের মতোই অনেকটা বেপরোয়া বিদেশি ঋণে ঝুঁকেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। রাজস্ব–ঘাটতির কারণে বাজেট সহায়তা এবং বড় প্রকল্পে অর্থছাড় বাড়ানোয় বিদেশি ঋণের মাত্রাও বেড়ে গিয়েছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের সরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণের দায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭ বিলিয়ন ডলারে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর জানিয়েছেন, বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় ১০ লাখ টাকা ঋণ দেবে সরকার।
ভোলা সদর উপজেলার ওয়েস্টার্ন পাড়ায় জামায়াতের উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্যদের শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।