প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, সরকার আগের মতো দেশি-বিদেশি ঋণের বোঝা বাড়াবে না। তিনি বলেন, সামাজিক সুরক্ষার অর্থায়ন স্থানীয় রাজস্ব আয়ের মাধ্যমেই সংস্থান করা হবে। এজন্য যেকোনো অর্থবছরের তুলনায় রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করা হবে। তবে রাজস্বের হার না বাড়িয়েই আয় বাড়ানোর জন্য তিনটি টাস্কফোর্স দিনরাত কাজ করছে।
আজ রোববার রাজস্ব আহরণবিষয়ক টাস্কফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে এসব কথা বলেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। আগারগাঁওয়ের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
রাজস্ব আয় কীভাবে বাড়বে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা কর ফাঁকি বা জালিয়াতি রোধ করব। করছাড়ের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসব। আগে গোষ্ঠীতান্ত্রিক করসুবিধা দেওয়া হয়েছে। আর কর্মকর্তাদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রণোদনা দেওয়া হবে। অপচয় কমানো হবে।’
নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে এই আমলে কর জিডিপির অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা হবে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এত কম কর আদায় নিয়ে শুধু বাংলাদেশ নয়, কোনো দেশই চলতে পারে না। তাই বিনিয়োগ বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে।
ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পেয়েছেন অভিযোগ করে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, বিগত সময়ে রাজস্ব আয়ের গোঁজামিলের হিসাব দেওয়া হতো। এখন আইবাসের নতুন সংস্করণের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে (রিয়েলটাইম) তথ্য পাওয়া যাবে।
এনবিআরকে দুই ভাগ করার সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক আখ্যা দিয়ে এ বিষয়ে আলোচনা করে সামনে এগোনো হবে বলে জানান রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
অন্তর্বর্তী সরকারের আগে একের পর এক তেল-গ্যাসের দাম বাড়ানো হলেও জনগণের সরকার মূল্যস্ফীতির চিন্তা করে এমনটা করবে না বলেও জানান তিনি।






