বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে ধীরগতি, চাপে বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধি
আজ সোমবার মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের অর্থনৈতিক পর্যালোচনা তুলে ধরা হয়।
আজ সোমবার মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের অর্থনৈতিক পর্যালোচনা তুলে ধরা হয়।
গত অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেয়েছে। বিশেষ করে জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে সাধারণ নির্বাচন ও ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তার প্রভাব এবং শিল্প খাতের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির গতি কমিয়ে দিয়েছে।
প্রবৃদ্ধি ঘোষণা করে, ঋণ নিয়ে বা বাজেট করে অর্জন করা যায় না। এটি বিশ্বাসযোগ্যতা, বিনিয়োগ, উৎপাদনশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের মাধ্যমে অর্জন করতে হয়। সংস্কার ছাড়া প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে কিনা, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন সেলিম রায়হান
উৎপাদন ও সেবা খাতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি, নির্মাণ খাতের পুনরুদ্ধার ও কৃষি খাতের ধারাবাহিক সম্প্রসারণের ফলে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গতি বেড়েছে।
বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে ৪ দশমিক ৭২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ২০০৩ সালের পর সর্বনিম্ন।
এডিবি চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক সংকটের কারণে প্রবৃদ্ধির হার কমেছে। পরের বছরে এটি ৪.৭ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।
পুঁজিবাজারকে দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির অন্যতম প্রধান আর্থিক খাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
আইএমএফ বলেছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ ও মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯ শতাংশে থাকবে। দুর্বল ব্যাংকগুলোকে অনিরাপদ তারল্য দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে আইএমএফ।
২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য অর্জনে অর্থনৈতিক সংস্কার, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং টেকসই উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেছেন ড. মোহন কুমার।
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বাটা শু জুতাসহ অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি করেছে ৫৬৯ কোটি টাকার, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৫১৭ কোটি টাকা।
নির্ধারিত ৪৩টি রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে দশমিক ৩০ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত হারে নগদ প্রণোদনা প্রদান করা হবে।
বিদায়ী অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। যদিও রপ্তানি কমেছে দশমিক ৫৮ শতাংশ।