বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির গতিপথ বুঝতে আসছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত, সফরে কী করবেন
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার ও গতিপথ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিতে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর ৩০ জুলাই ঢাকায় আসছেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার ও গতিপথ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিতে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর ৩০ জুলাই ঢাকায় আসছেন।
লিন্ডসে গ্রাহাম সব সময় যুক্তরাষ্ট্রের কট্টর পররাষ্ট্রনীতির সমর্থন করে গেছেন এবং ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অটল সমর্থনের দিকে মনোযোগ ধরে রাখার উপায় খুঁজে নিতেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে আসিয়ান এখন আর দূরের কোনো আঞ্চলিক সংগঠন নয়, বরং এটি ধীরে ধীরে এক কৌশলগত আকাঙ্ক্ষায় পরিণত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে শুধু প্রটোকলভিত্তিক রাষ্ট্রীয় সফর হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি নতুন সরকারের কূটনৈতিক অগ্রাধিকার, অর্থনৈতিক লক্ষ্য এবং আন্তর্জাতিক অবস্থান সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট বার্তা বহন করেF
দ্বিতীয় মেয়াদে এসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে এমন এক নতুন ভাষা দাঁড় করিয়েছেন, যেখানে জবরদস্তি, ভয় দেখানো আর চাপ প্রয়োগই হয়ে উঠেছে মূল হাতিয়ার।
নিরা ডেটার ২০২৬ সালের জরিপে ইসরায়েল বিশ্বের সবচেয়ে অপ্রিয় দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র পঞ্চম স্থানে নেমেছে। বিশ্বের সবচেয়ে ইতিবাচক মনোভাবের শীর্ষে সুইজারল্যান্ড, কানাডা, জাপান, সুইডেন ও ইতালি। গাজা ও পররাষ্ট্রনীতির প্রভাবে দুই দেশেরই বৈশ্বিক ভাবমূর্তি ধসছে।
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ আমেরিকা কেন ইরানকে বশ করতে পারছে না? গেম থিওরি ও আমেরিকার দ্বিধাগ্রস্ত পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে এর ব্যাখ্যা। ট্রাম্পের নীতি ও ঐতিহাসিক উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে।
বিএনপি তার নির্বাচনী ইশতেহারের পররাষ্ট্রনীতিতে বলেছিল, ‘পররাষ্ট্রনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, স্বার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, জাতীয় নিরাপত্তা এবং জনগণের কল্যাণ সর্বাগ্রে প্রাধান্য পাবে। সমতা, নায্যতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে বাংলাদেশ একটি আত্মমর্যাদাশীল, সক্রিয় ও দায়িত্বশীল বৈশ্বিক অবস্থান গ্রহণ করবে।’
তারা মূলত বলিউড ছবির রূপকথার মাঝেই রাজনীতি ও পররাষ্ট্রনীতির সাফল্য খুঁজছে।
গত সপ্তাহে ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাসকে চুক্তি স্থগিত করার একটি যৌথ চিঠি দিয়েছে স্পেনসহ তিন দেশ।
ন্যাশনাল অ্যাকশন নেটওয়ার্কের বার্ষিক সম্মেলনে কমলা হ্যারিস ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি লড়তে পারি, বিষয়টি নিয়ে ভাবছি।’ ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করে তিনি সতর্কবার্তা দেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, জাতিসংঘে যোগদানের পর থেকেই বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতাকে পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে।