ব্যক্তিগত গাড়িকে ‘ফুয়েল পাস’ সুবিধার আওতায় এনেছে সরকার
জ্বালানি বিতরণপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ফুয়েল পাস’ চালু করেছে সরকার।
জ্বালানি বিতরণপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ফুয়েল পাস’ চালু করেছে সরকার।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দরপত্র ছাড়া তিন লাখ টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনটি কোম্পানি থেকে সরাসরি ক্রয় করা হবে এই ডিজেল।
চলতি বছরের শুরুর দিকে যখন মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ল এবং হরমুজ প্রণালি হুমকির মুখে পড়ল, তখন জ্বালানি আমদানিকারক অধিকাংশ দেশ বড় ধরনের সংকটে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
‘নতুন সরকারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতে নীতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত: ১৮০ দিন ও তারপর’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ের নতুন সরকারের কাছে এই আহ্বান জানায় গবেষণা সংস্থাটি।
জেট ফুয়েলের নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
জ্বালানি সংকটে ঢাকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন। রাইড শেয়ার চালক দেলোয়ার হোসেন বাইক রেখে রিকশা চালানোর কথা ভাবছেন। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে তেলের বাজার অস্থির হওয়ায় চালকদের আয় কমেছে।
ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জ্বালানির ব্যবহার ৫০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য ঠিক করেছে পিকেএসএফ। সে জন্য সব স্তরের কর্মকর্তাদের অফিসের গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বেশির ভাগ কর্মকর্তাকে অফিসের গাড়িই ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের আতঙ্কে জ্বালানি তেলের অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হয়েছে, ফিলিং স্টেশনে লাইন লম্বা। সরকার ফুয়েল কার্ড ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু করছে, তবে মজুত রোধে আরও পদক্ষেপ দরকার। বিপিসি জানায়, মজুত যথেষ্ট আছে।
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপ বেড়েছে। খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলছেন, সব বাড়তি খরচ ভর্তুকি নয়, সঠিক মূল্য নির্ধারণ ও সংস্কারের মাধ্যমে সংকট মোকাবিলা সম্ভব। নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ দরকার।
গত সপ্তাহে শ্রীলঙ্কার সরকার খুচরা পর্যায়ে জ্বালানির দাম ৮ শতাংশ বাড়ানোর নির্দেশ দেয়। এ ছাড়া ব্যবহার সীমিত করতে জ্বালানি তেল কেনার সীমা বেঁধে দেয় দেশটি।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) বলছে, চলতি ২০২৬ সালে দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেল কমতে পারে বিশ্ব জ্বালানি তেলের চাহিদা; ২০২০ সালের পর এটিই প্রথম সম্ভাব্য বছর, যখন বিশ্বে চাহিদা কমার প্রবণতা দেখা দিতে পারে।