ভারতে কেন আলোড়ন তুলেছে জেন–জিদের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’
জেন-জি বা নতুন প্রজন্মের নানা উদ্বেগ ও সমস্যা নিয়ে মাত্র পাঁচ দিন আগে যাত্রা শুরু করা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’।
জেন-জি বা নতুন প্রজন্মের নানা উদ্বেগ ও সমস্যা নিয়ে মাত্র পাঁচ দিন আগে যাত্রা শুরু করা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’।
জেন-জি প্রজন্মের হাতে লেখা হচ্ছে নতুন ডেটিং ডিকশনারি। সেখান থেকে ২০২৬ সালে ট্রেন্ডে থাকা ৫টি টার্ম জেনে নিন।
সিজেপির তরুণ সমর্থকেরা র্যাপ সংগীত, প্ল্যাকার্ড ও দেয়াললিখনের মাধ্যমে প্রকাশ্যেই মোদিকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করেছেন। কয়েক সপ্তাহ আগেও এমন ঘটনা প্রায় অকল্পনীয় ছিল।
ভারতের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক-ডিজিটাল পরিসরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ একটি অদ্ভুত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এটি ভারতীয় জেন-জি প্রজন্মের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জেন–জির মধ্যে ইমোশনাল ইটিংয়ের প্রবণতা বাড়ছে। তবে এটি কি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে, নাকি দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে—সেই বিষয়টিই আলোচনায় এসেছে।
মিলেনিয়াল ও জেন–জি প্রজন্মের মেলবন্ধনে বদলে যাচ্ছে চাকরির দুনিয়া। গবেষণায় দেখা গেছে, জেন–জিরা আয়ের দৌড়ে মিলেনিয়ালদের চেয়ে এগিয়ে।
বিশ্বজুড়ে তরুণদের বিক্ষোভ দেশে দেশে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করেছে।
পয়লা বৈশাখে জেন-জেনারেশনের জন্য কিমোনো কাট, আনারকলি, এলাইন সহ বিভিন্ন স্টাইলের পোশাক ঝুলছে ফ্যাশন হাউসে। লাল-সাদা ছাড়াও নানা রঙে উদযাপনের চল এসেছে। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, টপ-স্কার্টে ঐতিহ্যময় মোটিফ মিশিয়ে আধুনিক লুক তৈরি হয়েছে।
হ্যাপিনেস রিসার্চ একাডেমির এ গবেষণায় যুক্ত ছিলেন নৃবিজ্ঞান, চর্মরোগ ও অ্যাসথেটিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা।
জেন-জি অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সামনে চলে আসা নেপালের আরএসপি নির্বাচনে এককভাবেই লড়ে অভাবনীয় জয় নিয়ে এখন সরকার গড়ার পথে। অন্যদিকে বাংলাদেশে এনসিপির ফল হতাশাজনক।
আজকাল ভ্রমণের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন শব্দ ও ধারণা। জেনে নেওয়া যাক এমনই কয়েকটি নতুন ট্রাভেল ট্রেন্ড।
সাধারণত ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া মানুষদের বলা হয় জিলেনিয়াল। তাঁরা এমন এক সময়ে বড় হয়েছেন, যখন পৃথিবী দ্রুত বদলে যাচ্ছিল।