হ্যাপিনেস রিসার্চ একাডেমির এ গবেষণায় যুক্ত ছিলেন নৃবিজ্ঞান, চর্মরোগ ও অ্যাসথেটিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা।