নারায়ণগঞ্জে সিলিন্ডার গ্যাসের লিকেজের আগুনে শিশুসহ দগ্ধ ৫
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে একটি বাসায় চুলা জ্বালানোর সময় সিলিন্ডার গ্যাসের লিকেজ থেকে আগুনে এক পরিবারের চারজনসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে একটি বাসায় চুলা জ্বালানোর সময় সিলিন্ডার গ্যাসের লিকেজ থেকে আগুনে এক পরিবারের চারজনসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের কুমিরা ইউনিয়নের মাজার গেট এলাকায় অক্সিজেন সিলিন্ডারের বিস্ফোরণে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুজন। আজ শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে ওই এলাকার একটি ভাঙারি দোকানে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাঁদের উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। দুজনকে পরে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।
চট্টগ্রামে হালিশহরে একটি ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণের ঘটনায় পরিবারের দগ্ধ নয়জনের মধ্যে বেঁচে থাকা তিন শিশু এখনো জানেন না তাদের মা–বাবা নেই।
চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরের একটি বাসায় বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম শাখাওয়াত হোসেন (৪৯)। তিনি পেশায় মোটর পার্টস ব্যবসায়ী। আজ বুধবার সকালে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ পাঁচজনের মৃত্যু হলো।
ঢাকার ধামরাইয়ে রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে সারা শরীরে আগুন লেগে যায় এক গৃহবধূর। তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে যান তাঁর স্বামী ও দুই সন্তান। এ সময় তাঁরাও অগ্নিদগ্ধ হন।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিকেজজনিত দুটি বিস্ফোরণে সাতজন দগ্ধ। এক পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে আবুল কালামের মৃত্যু হয়েছে। আবদুল কাদির ও তাঁর তিন ছেলের অবস্থা গুরুতর।
মালদ্বীপে শুক্রবার রাতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বাসিন্দা।
কক্সবাজারে গ্যাস বিস্ফোরণে হতাহত ব্যক্তিদের খোঁজ নেয়নি কেউ
কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় গ্যাস পাম্পে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছয়জনেরই অবস্থা শঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
সোনারগাঁয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যানটিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ মো. আমির (২৫) আজ সকালে মারা গেছেন। এ নিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকায় আকরাম গ্যাস লাইটার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয় শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনার এক মাস পেরিয়ে গেলেও কারখানার মালিক এখনো অধরা।