জহির রায়হানের অগ্রন্থিত গল্প
হাতের চুড়িগুলো নিয়ে মৃদু নাড়াচাড়া করতে করতে নীলা বলল, ‘কোম্পানিতে আমরা যারা কাজ করি, তারা সবাই মিলে ইউনিয়ন করেছি কিনা। তার গঠনতন্ত্রটা ছাপাব।’
হাতের চুড়িগুলো নিয়ে মৃদু নাড়াচাড়া করতে করতে নীলা বলল, ‘কোম্পানিতে আমরা যারা কাজ করি, তারা সবাই মিলে ইউনিয়ন করেছি কিনা। তার গঠনতন্ত্রটা ছাপাব।’
উদয় রহমানের গল্প ‘কেক’
স্বকৃত নোমানের গল্প ‘পিতৃত্ব’
এমরান কবিরের গল্প ‘অজ্ঞাত অন্ধকারে’
রেজাউর রহমানের গল্প ‘কেনাবেচার হাট’
ধ্রুব এষের গল্প ‘লোক’ অবলম্বনে নারিন্দার ‘ভূতের গলি’ ঘিরে সন্ধ্যার রহস্য, লোকনাথ দাস ও অত্রি সুরের কথোপকথন এবং সম্পর্কের বদলে যাওয়ার কাহিনি।
বশীর আল্হেলালের গল্প ‘কালো সূর্য’
রীমা ইসলামের গল্প ‘শেষ ফোনকল’
‘বিয়ের পর রাতের পর রাত জেগে আমরা গল্প করব। আমি চা বানিয়ে আনব। তারপর চা খেতে খেতে দুজনে জোছনা দেখব। মনভরে।’
হাসান আজিজুল হকের ‘দিবাস্বপ্ন’ গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৬ নভেম্বর মুক্তকণ্ঠের প্রথম বর্ষের তৃতীয় সংখ্যার ‘শুক্রবারের সাময়িকী’তে। তখনো মুক্তকণ্ঠের অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়নি, তাই গল্পটি এত দিন শুধু ছাপা পত্রিকার পাতাজুড়েই ছিল। গল্পটি আজ প্রথমবারের মতো ‘অন্য আলো’র অনলাইন পাঠকদের জন্য উপস্থাপন করা হলো।
একটা যুদ্ধ, যে যুদ্ধের বিজিত যোদ্ধা আমার বাবা। একটা যুদ্ধ, যে যুদ্ধের ক্ষতবিক্ষত ভাস্কর্য আমার মা। একটা যুদ্ধ, যে যুদ্ধ আমার জন্মদাতা। যুদ্ধে নপুংসক হওয়া ওই অন্ধকারবন্দী মানুষটা এই যুদ্ধশিশুর বাবা।