
হাড়ের হদিস :: মহীবুল আজিজ
ধাতব না হলেও শক্ত কিছু একটা মাটির গর্ভে সমাহিত ভেবে, অথবা তার মনে গুপ্তধন না হলেও দামি কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশা নিয়ে সে খনন অব্যাহত রাখে।

ধাতব না হলেও শক্ত কিছু একটা মাটির গর্ভে সমাহিত ভেবে, অথবা তার মনে গুপ্তধন না হলেও দামি কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশা নিয়ে সে খনন অব্যাহত রাখে।

এর পরের দিন, লাঞ্চের পর তাহমিনা বিশ্বাসযোগ্য রফিককে যথেষ্ট আপ্যায়ন করেছিল। বলেছিল, ‘আজ কবিতাটবিতা হবে না, কথা আছে তোমার সঙ্গে।’

তার পাতানো বাবা তাকে বলতেন, দামে আটকে যাওয়ার সময় যে মেয়েটিকে একদিন তিনি দেখেছিলেন, সেই মেয়েটির মাথাভরা কালো চুল।

আবদুল গফুর একাই শুধু গায়ে বাতাস লাগিয়ে ঘুরে বেড়ায়, বন্ধুদের আড্ডায় চুপচাপ বসে থাকে, আর কী যেন ভাবে। কী ভাবে তার বন্ধুরা জানে না।

কিন্তু মৃত্যু কি আসলেই হয়েছে আমার? হাহাকার, দুর্গন্ধ, তীব্র অস্বস্তি ছাপিয়ে শুধু সত্যটা জানতে ইচ্ছা করে।

আশরাফ ততক্ষণে সাহানুর নিটোল হাতটা টেনে তুলে ফেলেছে নিজের চোখ আর নাকের বড্ড কাছে। অস্ফুট আড়ষ্ট কণ্ঠে সাহানুর মৃদু গুঞ্জন ভেসে আসল।

‘বিয়ের পর রাতের পর রাত জেগে আমরা গল্প করব। আমি চা বানিয়ে আনব। তারপর চা খেতে খেতে দুজনে জোছনা দেখব। মনভরে।’

সক্রেটিস চোখ তুলে আকাশের দিকে তাকালেন, যেন অদৃশ্য কোনো ভোরের আলো দেখতে পাচ্ছেন, ‘তোমরা ভয় পেয়ো না।

মায়ের দিন কাটে ধনীদের বাড়িতে কাপড় কাচায়; অন্ধ স্বামীর দিন কাটে দরিদ্রদের ঘরে কোরআন তিলাওয়াতে। বিকেলে সেই এককক্ষের বাসায় ফিরে আসা তার অভ্যাস ছিল না।

মায়া বলল, ‘স্যার,আমি একটা গল্প শোনাতে চাই আপনাকে। এটা আমার জীবনের গল্প নয়, কিন্তু আমার অভিজ্ঞতার ভেতর থেকেই জন্মেছে।’

‘এটা তুই কী করলি রে মামা?’ অমিয় অবাক হয়ে বলল, ‘কী করলাম?’ ‘তোর মায়ের বিয়ের অ্যানাউন্সমেন্টে তন্বী এল কোত্থেকে?’

আজকাল কী যে হয়েছে, কেউ আর তাঁকে পছন্দ করছে না। চিঠি বিলি করার সময় আগের মতোই তিনি রঙ্গ-রসিকতা করেন, কিন্তু লোকেরা মুখ ভার করে থাকে।