ককরোচ আন্দোলন ও দক্ষিণ এশিয়ার নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা
ভারতের প্রেক্ষাপট, ককরোচ আন্দোলনের উত্থান, এবং দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের রাজনৈতিক ভূমিকা—এসব দিক ধরে একটি মতামতধর্মী বিশ্লেষণ।
ভারতের প্রেক্ষাপট, ককরোচ আন্দোলনের উত্থান, এবং দক্ষিণ এশিয়ার তরুণদের রাজনৈতিক ভূমিকা—এসব দিক ধরে একটি মতামতধর্মী বিশ্লেষণ।
ভারতে সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহের ঘটনাপ্রবাহ এক অদ্ভুত চিত্র সামনে এনেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের গভীর অনিরাপত্তা যেন প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। কয়েকজন কলেজপড়ুয়া তরুণ-তরুণী মিলে তৈরি করেছিলেন একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন অ্যাকাউন্ট—‘ককরোচ জনতা পার্টি’।
আন্দোলন চলাকালে নিজের বিরুদ্ধে গালিগালাজ করা শিক্ষার্থীদের ক্ষমা করে দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ভারতে নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন চলাকালে আটক হয়েছেন স্বরা ভাস্করের স্বামী ফাহাদ আহমেদ; পুলিশের বলপ্রয়োগের নিন্দা জানিয়েছেন বলিউডের పలు তারকা।
শুধু ‘ভুল শোধরানো’ নয়, তেলাপোকাদের দল সিজেপির মোকাবিলায় বিজেপি নেতৃত্ব কঠোর হওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে।
২০ জুলাইয়ের ঘটনার পর আহত সাহিল লোচাবকে নিয়ে দিল্লি পুলিশের উপকমিশনারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন রাহুল গান্ধী; এরপর মামলার নথিভুক্তি জানাল দিল্লি পুলিশ।
ভারতের কোনো প্রধান বিচারপতিকে ঘিরে অতীতে এমন অনভিপ্রেত বিতর্ক দেখা যায়নি।
যাঁরা ভারতীয় গণতন্ত্রকে সাধারণত বড় বড় নির্বাচন বা প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়ার আশঙ্কার দৃষ্টিতে দেখেন, তাঁদের জন্য সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহ এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা এনে দিয়েছে।
অনশনের কারণে ওয়াংচুকের ১১ কেজি ওজন কমে গিয়েছিল। এখন ৬ কেজি বেড়েছে।
আজ সোমবার বিকেল চারটা পর্যন্ত আসা ফল অনুযায়ী, প্রথমবার ভোটে দাঁড়িয়ে পিকে এগিয়ে রয়েছেন ১৫ হাজার ভোটে।
রাহুলের প্রশ্ন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পেলেট গানসহ প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন কি আপনি দিয়েছিলেন? যদি না দিয়ে থাকেন, তাহলে কে দিয়েছে?’
এক সকালে জনৈক মুরব্বি অস্বস্তিকর সব স্বপ্ন থেকে জেগে উঠে দেখল...