সুরক্ষা লাগবে ৯২ পণ্যে, বিকল্প ব্যবস্থার সুপারিশ
বিএফটিআইয়ের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্যভান্ডার তৈরি এবং রপ্তানিকারকদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করার সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে।
বিএফটিআইয়ের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্যভান্ডার তৈরি এবং রপ্তানিকারকদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করার সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে।
এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পোশাকশিল্পে এআই, অটোমেশন এবং উচ্চ মূল্য সংযোজন পণ্যের উৎপাদন অপরিহার্য বলে মনে করেন শিল্পনেতারা।
বিশ্ব বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা ও জাহাজ পরিবহন খাতের সংকটের মধ্যেও রপ্তানির সক্ষমতা ধরে রাখতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যচুক্তির পরামর্শ দিয়েছে এইচএসবিসি।
ত্রিমুখী চ্যালেঞ্জের একটাই বিচক্ষণ উত্তর, নিজেদের প্রযুক্তিগত ও শিল্প উদ্ভাবনের সক্ষমতা গড়ে তোলা।
বাণিজ্যমন্ত্রী ৫৮টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যঘাটতির তালিকা সংসদে তুলে ধরেন। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশ তৈরি পোশাক খাত থেকে আসে বলে জানান।
রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অর্থনীতি নানামুখী চাপে আছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, নিম্ন রাজস্ব আহরণ, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, ঋণঝুঁকি ও প্রশাসনিক অদক্ষতা একসঙ্গে চাপ তৈরি করছে
আমরা নিজেদের বাংলা ভাষায় ‘অনুন্নত’ বলতে চাই না। আদর করে বলি ‘স্বল্পোন্নত’। স্বল্পোন্নত বলার মধ্যে একধরনের শ্লাঘাবোধ আছে। মানে, আমরাও উন্নত, তবে একটু কম।
র্যাপিডের গবেষণায় উঠে আসে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় জার্মানিতে (ইইউ) টি–শার্ট রপ্তানিতে ২০–২৭ শতাংশ এবং ট্রাউজার রপ্তানিতে ৯–১৫ শতাংশ বেশি দাম পাওয়া যায়।
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘যখন ৬ থেকে ৯ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছিল, তখন ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো তালি দিয়েছিল। অর্থ পাচারের সময়েও তারা চুপ ছিল। এমন আচরণ করলে গণতন্ত্র কখনো শক্তিশালী হয় না।’
বাংলাদেশের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা ও নিজেদের অবস্থান জানাতে চলতি মাসে জাতিসংঘের একটি প্রতিনিধিদলের ঢাকায় আসার কথা ছিল।
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সিইপিএ চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে ৯৭ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্য দক্ষিণ কোরিয়ায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে, যা এলডিসি উত্তরণের পরও বহাল থাকবে।
এলডিসি থেকে উত্তরণের সন্ধিক্ষণে সরকার বিজ্ঞানভিত্তিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলছে। আইইডিসিআর-এর ‘এইচএনএপি ২০২৬-২০৩১’ প্রতিবেদনে জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্যকাঠামো, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসুরক্ষা ও সবুজ হাসপাতালের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে। এতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।