সড়ক অবরোধ, নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি
সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু। তবে আবার বন্ধ এক্সিলারেটের টার্মিনাল।
সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু। তবে আবার বন্ধ এক্সিলারেটের টার্মিনাল।
মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালের বয়লার চালু হওয়ায় গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও শিল্পখাতে উৎপাদন হ্রাস ও দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকট নিরসনে কার্যকর পরিকল্পনার দাবি জানানো হয়েছে।
১৩ দিন ধরে চলা গ্যাস-সংকট গতকাল রোববার থেকে আরও তীব্র হয়েছে। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকদের ওপর।
মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে শেরপুরে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে, যার ফলে আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহকরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এলএনজি সংকটে সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবহন ব্যবস্থায় বিপর্যয় নেমে এসেছে। এলপিজি চালিত অটোরিকশাগুলো দ্বিগুণ ভাড়া হাঁকছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে দেশে সৃষ্ট তীব্র গ্যাস সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জ্বালানি খাতে সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়ে মালয়েশিয়া সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহে সমস্যা হয়েছিল—তা সমাধান হয়েছে বলে জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ সাকি। একনেক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি গ্যাস আমদানি, এলএনজি অবকাঠামো ও নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ খাতে সরকারের উদ্যোগের কথাও বলেন।
এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটির কারণে দেশে গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে, যার ফলে সিএনজি স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে এবং জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘এলএনজি এনে সংকট মোকাবিলার চেষ্টা করা হলে আগামী দিনে গ্যাসের দাম সরকার আবারও রিভাইজ বা বৃদ্ধি করতে বাধ্য হবে। গ্যাসভিত্তিক ব্যবস্থার ওপর দীর্ঘ মেয়াদে ভরসা না করে আমাদের ইলেকট্রিকফিকেশনের (বিদ্যুতায়ন) দিকে যেতে হবে।’
মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিদুর্ঘটনার ফলে দেশজুড়ে গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে, যা জ্বালানি নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে এবং স্থলভাগে টার্মিনাল নির্মাণের প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে।
ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ ও নতুন জ্বালানি নীতির কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের জ্বালানি সমস্যা সমাধানে ন্যূনতম দুই বছর সময় লাগবে।
অগ্নিকাণ্ডে একটি টার্মিনাল বন্ধ হওয়ায় এলএনজি সরবরাহ কমেছে অর্ধেকের মতো। জ্বলছে না চুলা, গাড়ির লাইন দীর্ঘ। কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন।