
ইসলামে ‘ইনসাফ’ বলতে কী বোঝায়
ওজনে কম দেওয়া বা মানুষকে ঠকানো ইসলামের দৃষ্টিতে বড় অপরাধ। যারা ওজনে কম দেয়, তাদের জন্য ‘ওয়াইল’ বা ধ্বংসের দুঃসংবাদ দেওয়া হয়েছে।

ওজনে কম দেওয়া বা মানুষকে ঠকানো ইসলামের দৃষ্টিতে বড় অপরাধ। যারা ওজনে কম দেয়, তাদের জন্য ‘ওয়াইল’ বা ধ্বংসের দুঃসংবাদ দেওয়া হয়েছে।

অসুস্থতার কারণে আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশী সবাই তাঁকে ত্যাগ করে চলে যায়। এমনকি তাঁকে জনবসতি থেকে দূরে এক নির্জন স্থানে ফেলে আসা হয়।

সুরা কাহাফের তিনটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট—আসহাবে কাহাফের তরুণ দল, নবী মুসার জ্ঞানের সফর এবং জুলকারনাইনের বিশ্বাভিযান—আমাদের সামনে নেতৃত্বের তিনটি অনন্য মডেল পেশ করে।

সম্প্রতি কোরবানির এই মহান ইবাদতের সঙ্গে নতুন একটি ব্যাপার যুক্ত হয়েছে—সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচিত হতে দেখা গেছে কোরবানির পশুর বিভিন্ন নাম।

পরিবেশ দূষণ বর্তমানে বৈশ্বিক অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রকৃতি ও প্রাণিজগৎ নিয়ে মানুষের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ আমাদের এই পৃথিবীকে বসবাসের অযোগ্য করে তুলছে।

এই প্রেক্ষাপটে ‘সুন্নাতে ইব্রাহিমি’র অসংখ্য প্রজ্ঞার মধ্যে একটি প্রধান দিক হলো, এটি মানুষের সেই সহজাত মানসিক চাহিদাকে এক মার্জিত ও মহৎ রূপ দান করে।

অনেক সময় ক্যারিয়ারের পেছনে ছুটতে গিয়ে শেকড়কে ভুলে যাই। বৃদ্ধাশ্রমের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা আমাদের সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের ইঙ্গিত দেয়।

মানুষের আত্মার প্রশান্তি ও হৃদয়ের সজীবতা শুধু তখনই সম্ভব, যখন সে তার প্রতিপালককে তাঁর নাম, গুণাবলি ও কার্যাবলির মাধ্যমে চিনতে পারে।

জনমানুষের চিন্তার এই ‘এজলাস’ তৈরি করার প্রক্রিয়ায় পাশ্চাত্যের মিডিয়া প্রায়ই নৈতিক মানদণ্ডের চেয়ে পুঁজির স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়। এখানে ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান দেয় ইসলামের অগ্রাধিকারের বিধি।

কিছু অভ্যাস শুধু মানুষের সম্মানই নষ্ট করে না, বরং সামাজিক শান্তি ও সংহতিকেও ধ্বংস করে দেয়। এই বিষবাষ্প থেকে বাঁচতে ইসলামের ১০টি বৈপ্লবিক সূত্র তুলে ধরা হলো:

দাঁতগুলো যেন পড়ে না যায়, সেজন্য সোনার তার দিয়ে পাশের দাঁতের সঙ্গে বেঁধে রাখার কৌশল তাঁরাই প্রথম শিখিয়েছিলেন।

একজন মুমিন কীভাবে ঘর থেকে বের হবে, এ বিষয়েও ইসলামের রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম ও আদব। এগুলোর অনুসরণ করলে ইহকালীন কাজকর্মও ইবাদত হবে।