
খামেনিকে হত্যার পরও ইরানে কি সরকার বদল হবে, মার্কিন কর্মকর্তাদের হতাশা কী ইঙ্গিত দিচ্ছে
খামেনিকে হত্যার পরও অনেক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা সন্দিহান, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে দুই দেশের যৌথ সামরিক অভিযানে আদৌ শাসনগোষ্ঠীর পরিবর্তন হবে কি না।

খামেনিকে হত্যার পরও অনেক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা সন্দিহান, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে দুই দেশের যৌথ সামরিক অভিযানে আদৌ শাসনগোষ্ঠীর পরিবর্তন হবে কি না।

ইরানে পশ্চিমাদের হস্তক্ষেপ যাঁরা সমর্থন করে আসছেন, তাঁরা বহু বছর ধরে যুক্তি দিয়ে আসছেন—ইরানের বিদ্যমান সরকার দমন-পীড়ন, অর্থনৈতিক ক্ষয় ও সামাজিক স্থবিরতার মধ্য দিয়ে পুরো দেশের যে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করছে, তা বাইরের দেশের সহিংস বিদেশি হস্তক্ষেপের ঝুঁকির চেয়ে বেশি ক্ষতিকর।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের খবরে ব্যথিত হওয়ার কথা জানিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এটি আন্তর্জাতিক আইন পরিপন্থী কাজ হয়েছে।

নীরবতার মাশুল দিতে হচ্ছে, ঘরোয়া রাজনীতিতে সমালোচিতও হতে হচ্ছে। তবুও ইরান সংকট নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখনো নীরব।

হামলায় ইরানে ৩৬ বছর ধরে নেতৃত্ব দেওয়া দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন।

হামলার জবাবে তেহরান দৃশ্যত চারদিকে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্য এক নজিরবিহীন অস্থিরতার মুখে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনা শুধু ইরান নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি সংকটজনক মুহূর্ত তৈরি করেছে।

ইসলামি প্রজাতন্ত্রের জন্য অগ্রাধিকার সামরিক ও রাজনৈতিক সংহতি বজায় রেখে আঘাত সহ্য করা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া।

পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষে পাকিস্তানে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে মনে করেন বিশ্বনেতারা।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে দেশে দেশে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী তীব্র বিক্ষোভ চলছে।

সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ড ইরানের জন্য একটি বিরাট ধাক্কা। তবে এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন ঘটবে না বা তাতে সংঘাত কমবে না।