
রোজার পুরস্কার আল্লাহ নিজেই কেন দেবেন
যে রোজা রাখে, অন্য কারও তা জানার সুযোগ নেই। কেউ যদি সাহ্রি ও ইফতার করে মাঝখানে গোপনে কিছু খেয়ে ফেলে, তবে মানুষ তা বুঝতে পারবে না।

যে রোজা রাখে, অন্য কারও তা জানার সুযোগ নেই। কেউ যদি সাহ্রি ও ইফতার করে মাঝখানে গোপনে কিছু খেয়ে ফেলে, তবে মানুষ তা বুঝতে পারবে না।

রোজাদার ব্যক্তির কাজ হলো, কেবল বড় গুনাহ নয়, নিজেকে সব ধরনের গুনাহ থেকে দূরে রাখবেন। তাহলে তিনি আল্লাহর রহমত, করুণা ও ক্ষমা লাভ করবেন।

বান্দা ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করে, নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে সংযত রাখে। এর প্রতিদানও আল্লাহ নিজেই প্রদান করেন।

বেপরোয়া গাড়ি চালানো বা নেশাদ্রব্য গ্রহণের মাধ্যমে নিজের শরীরকে ঝুঁকির মুখে ফেলা এই আমানতের খেয়ানত। সুষম খাদ্যের মাধ্যমে শরীরকে রোগমুক্ত রাখা আমানতদারির অংশ।

ইসলামি স্কলারদের মতে, জ্ঞান হলো একটি নুর, যা আল্লাহ কেবল পবিত্র হৃদয়েই দান করেন। পাপের অন্ধকার হৃদয়ে প্রবেশ করলে জ্ঞানের আলো নিভে যায়।

তিনি তো বান্দার জন্য এমন এক আশ্রয়দাতা, যাঁর কাছে শতবার কাঁদলেও তিনি বিরক্ত হন না। বরং তিনি তো সেই রব, যিনি না চাইলে অসন্তুষ্ট হন।

পিতার ইন্তেকালের পর নিশাপুরে আগমন করেন। তাঁর শৈশব ও যৌবন এমন এক যুগে অতিবাহিত হয়, যখন আব্বাসি খেলাফত রাজনৈতিকভাবে দুর্বল, অথচ বুদ্ধিবৃত্তিক অস্থিরতা চরমে।

ভালোবাসা হলো তাঁর মাথা, আশা ও ভয় তাঁর দুই ডানা। মাথা ও দুটি ডানা যথাযথভাবে থাকলেই পাখি উড়তে পারে। মাথা কেটে ফেললে পাখি মারা যায়।

কখনো এমন পরিস্থিতি আসে যখন মানুষের সাধ্যে কিছুই থাকে না—তখন দোয়া-ই হয় আমাদের বড় আশ্রয়। আল্লাহর কাছে কাকুতি-মিনতি করা ছাড়া উপায় থাকে না।

আল্লাহকে চেনার এই আদিম আগ্রহ থেকেই মানুষ যুগ যুগ ধরে প্রশ্ন করে আসছে, আল্লাহ কোথায় আছেন? তিনি কি আমাদের খুব কাছে, নাকি অনেক দূরে?

একটি সাত-আট বছরের শিশু যখন প্রশ্ন করে, “মা, আল্লাহ কোথায়? আমি কেন তাঁকে দেখতে পাই না?”—তখন অনেক অভিভাবকই কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন।