ই-বেইল বন্ডে জামিনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলবে কারামুক্তি: আইন উপদেষ্টা
বিচার বিভাগের ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে ‘ই–বেইল বন্ড’ চালু হওয়ায় এখন কারাগারে আটক ব্যক্তি কয়েক ঘণ্টা বা সর্বোচ্চ এক দিনের মধ্যেই মুক্তি পাবেন।
বিচার বিভাগের ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে ‘ই–বেইল বন্ড’ চালু হওয়ায় এখন কারাগারে আটক ব্যক্তি কয়েক ঘণ্টা বা সর্বোচ্চ এক দিনের মধ্যেই মুক্তি পাবেন।
শিশুদের মধ্যে স্মার্টফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহারের পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে।
মানব সভ্যতা এখন ডিজিটাল রূপান্তরের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা আর কেবল ইন্টারনেট–সংযোগ বা যন্ত্রের প্রাপ্যতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) এক সেমিনারে বলা হয়েছে, ডিজিটাল সুবিধা বাড়লেও বড় অঙ্কের লেনদেনে নগদের ব্যবহারই বেশি হয়।
নাজমুল হুদা সরকার দক্ষ প্রযুক্তিবিদ হিসেবে নিরাপত্তা এবং ব্যয়-কার্যকারিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৌশলগত পরিকল্পনা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং দক্ষ পরিষেবা প্রদানে অবদান রেখেছেন।
ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিবর্তনের কারণে নির্বাচনসংক্রান্ত বিধিমালা ও এর প্রয়োগের কৌশলগুলোকে নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করতে হবে এবং প্রয়োজনে হালনাগাদ করতে হবে।
আধুনিক প্রযুক্তির জোয়ারে যখন বিশ্বজুড়ে শ্রেণিকক্ষগুলোকে আরও বেশি ডিজিটালাইজড করার প্রতিযোগিতা চলছে, ঠিক তখনই উল্টো পথে হাঁটার এক সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপের দেশ নরওয়ে।
সরকারের কৌশলগত ‘থ্রি আর’ (রিকভারি, রিস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন) ফ্রেমওয়ার্ক এবং করব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন করবে।
সিজেপিকে একটি প্রাথমিক পর্যায়ের সামাজিক আন্দোলন হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে, যা রাজনৈতিকভাবে সোচ্চার, ডিজিটালি সুসংগঠিত ও আবেগে চালিত।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, করব্যবস্থায় নতুন মডেল চালু করে করদাতাদের রাষ্ট্রের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানো হবে। আইসিএবি ও দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের প্রাক্-বাজেট আলোচনায় ব্যবসায়ীনেতারা ডিজিটালাইজেশন ও জবাবদিহির দাবি জানান। কর ফাঁকি কমাতে এবং বিনিয়োগ বাড়াতে এসব পদক্ষেপ জরুরি বলে মত প্রকাশ করেন。
দেড় দশক পর ভারতে জনগণনা শুরু হয়েছে, যা তিন ধাপে চলবে এবং ডিজিটালভাবে পরিচালিত হবে। এবার প্রথম জাত গণনাও অন্তর্ভুক্ত। নারী আসন সংরক্ষণ ও আসন বৃদ্ধির নিয়ে সরকার-বিরোধীদের মধ্যে বিতর্ক চলছে।
কর্মক্ষেত্রে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ (আইন) করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রস্তাবিত এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী শারীরিক, মৌখিক, ইঙ্গিতপূর্ণ ও ডিজিটালজগতে করা অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণকে যৌন হয়রানি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।