কোরবানির গরু কাটতে বিমানে ঢাকায় আসবেন সৈয়দপুরের এই কসাইরা
ঈদ শেষে আবার কেউ বিমানে, কেউ বাস বা ট্রেনে করে ফিরে আসেন। শুরু হয় পুরোনো জীবনের ব্যস্ততা।
ঈদ শেষে আবার কেউ বিমানে, কেউ বাস বা ট্রেনে করে ফিরে আসেন। শুরু হয় পুরোনো জীবনের ব্যস্ততা।
আমি একদৃষ্টে মায়ের দিকে চেয়ে রইলাম। মৃত প্রাণে আশার সঞ্চার হলো। তখন মাকে জিজ্ঞাসা করিনি, এত টাকা কোত্থেকে জোগাড় হলো!
খাঁটি মধু আসলে কীভাবে চেনা যায়, বাজার থেকে মধু কিনে প্রতারিত হওয়ার পর এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই চাকরি ছেড়ে মাঠে নেমে পড়েন সৈয়দ মুহাম্মদ মঈনুল আনোয়ার।
ফার্মগেটে ব্যাংক কর্মী রোকনের পায়ের রোগ জীবনকে জর্জরিত করছে। অদ্ভুত গন্ধের অনুভূতি, ঘুমহীন রাত, ফ্যান্টম লিম্ব সিনড্রোমের ছায়া। রাহেলার স্মৃতি নিয়ে বান্দরবানের যাত্রায় শেষ ধাপে পা হারাল রোকন।
মেঘনার নৌকায় জন্ম নিয়ে জলযাযাবর জীবন কাটান মানতা সম্প্রদায়ের জাহানুর বিবি ও পরিবারের সংগ্রামী দিনযাপন। ঝড়-জলের মুখোমুখি হয়েও ঘরের আশ্রয় নেই। সরকারি সুবিধা না পেয়ে চলছে দেনা-দেনার জীবন।
সে অনেক অনেক দিন আগের কথা। বলেই তিনি সামনে বহমান পদ্মার বিস্তৃত জলরাশির দিকে তাকালেন, নদীর ওপারের কালোগ্রামের ভেতরে ঢুকে যেন তিনি ছোটবেলার আম কুড়োনোর দিনের দিকে কিছুটা ঝুঁকে পড়লেন। বলে উঠলেন—তখন ছোট ছোট গ্রাম আর কিছুটা দূরে দূরে বিস্তীর্ণ জঙ্গল, সেই জঙ্গলে নানা কিসিমের পশুপাখির বাস ছিল।
ফরিদপুরের কমলাপুর থেকে উঠে আসা হকি তারকা আমিরুল ইসলাম অনূর্ধ্ব-২১ জুনিয়র বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচে ১৮ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। দেশে ঘরোয়া হকি স্থবির হওয়ায় জার্মানির তৃতীয় বিভাগের ক্লাবে যোগ দিয়ে নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। তাঁর যাত্রা বাংলাদেশ হকির পুনরুজ্জীবনের প্রতীক।
মোতালিবের দিশাহারা কানে এসব কথার কিছুই পৌঁছায় না। তার হঠাৎ মনে হয়, হাত–পা অবশ হয়ে তার চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসছে। কালো সড়কটা এইবার বড় হতে হতে তার বুকের ওপর দিয়ে রক্ত, মাংস, হাড়, পাঁজর গুঁড়ো করে সামনের দিকে চলে যাচ্ছে।
একটা যুদ্ধ, যে যুদ্ধের বিজিত যোদ্ধা আমার বাবা। একটা যুদ্ধ, যে যুদ্ধের ক্ষতবিক্ষত ভাস্কর্য আমার মা। একটা যুদ্ধ, যে যুদ্ধ আমার জন্মদাতা। যুদ্ধে নপুংসক হওয়া ওই অন্ধকারবন্দী মানুষটা এই যুদ্ধশিশুর বাবা।
কখনো কৃষিশ্রমিক, আবার কখনো ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন আবদুল কাদের। চারজন মানুষের সংসারে একমাত্র উপার্জন করা মানুষ তিনি।
কলম্বোতে সফল হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন মারিয়া।
এখনো স্পষ্ট মনে আছে সেদিন মঙ্গলবার ছিল। কেন আমি বাসায় ছিলাম না তা–ও মনে আছে। কী করে যেন ওইবার পহেলা বৈশাখ মঙ্গলবারেই পড়েছিল।