
মার্কিন স্থাপনায় হামলা চালাতে ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া
মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছে রাশিয়া।

মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছে রাশিয়া।

ইসরায়েলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক গত এক দশকে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্বের বাইরে ইসরায়েলের সবচেয়ে শক্তিশালী মিত্র এখন ভারত।

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অন্যায় যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে বলে মনে করে গণসংহতি আন্দোলন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত মেটাতে কয়েকটি দেশ মধ্যস্থতা করছে।

কুর্দিরা পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ জাতিগোষ্ঠী, যাদের এখনো নিজস্ব কোনো রাষ্ট্র নেই। বিশ্বজুড়ে তাদের সংখ্যা প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি। তাদের বেশির ভাগই বাস করে আর্মেনিয়া, ইরাক, ইরান, সিরিয়া ও তুরস্কের সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত পাহাড়ি অঞ্চলে।

গত শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে চালানো হামলার বিরুদ্ধে অবস্থা নিয়েছেন বেশির ভাগ মার্কিন নাগরিক। এমনটাই উঠে এসেছে পত্রপত্রিকার জনমত জরিপগুলোয়।

প্রথমে ১৯৯০ সালে ইরাকের আগ্রাসন, এরপর ২০০৩ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আর সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের পক্ষ থেকে সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে আগ্রাসী তৎপরতা।

হামলার উদ্দেশ্য ছিল ‘ইরান থেকে আসন্ন হুমকি মুক্ত করে মার্কিন জনগণকে রক্ষা করা।’ তবে হামলার আগে ইরান সশস্ত্র আক্রমণ শুরু করার দ্বারপ্রান্তে ছিল।

জর্ডানের ইরবিদ শহরে বেশ কয়েকটি ড্রোন ছুড়েছে বিমান প্রতিরক্ষাবাহিনী। ঘটনাস্থল থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি এ তথ্য জানিয়েছে।

গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্বীকার করেন, ঘটনাটি তদন্ত করছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডোর আঘাতে কোনো যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হলো।

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের আগ্রাসনে শীর্ষ কমান্ডারদের হারানোর পরও যুদ্ধকালীন সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করেছে ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)।