ইরানে আবারও মার্কিন হামলা, বন্দর আব্বাসে বিস্ফোরণ
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। ইরানের বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসের পূর্বাঞ্চলে তিনটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। ইরানের বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসের পূর্বাঞ্চলে তিনটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইরানি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজে পাল্টা হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেশম দ্বীপসহ বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ নিশ্চিত করেছে। ট্রাম্প বলেছেন, তিনটি ডেস্ট্রয়ার নিরাপদে হরমুজ পার হয়েছে।
ইরান নিয়ে ট্রাম্পের হিসাবে কি ভুল হলো
ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ তৃতীয় মাস পেরিয়ে চতুর্থ মাসে প্রবেশ করতে চলেছে। এই দীর্ঘায়িত সংঘাতকে ঘিরে এখন আবারও ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান ও ইরাকের মতো যুক্তরাষ্ট্রের অতীতের ব্যর্থ যুদ্ধগুলোর সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।
ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের নেতৃত্বে মার্কিন সিভিল-মিলিটারি ভারসাম্যহীনতা পরাশক্তির পতন ডেকে আনছে বলে মনে করছেন লেখক। ঐতিহাসিক উদাহরণ তুলে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান নেতৃত্বের ভুলগুলো তুলে ধরেছেন। যুদ্ধ এখন মাস পেরিয়ে গেছে, পরাজয় অনিবার্য।
ট্রাম্প প্রশাসন ইরান যুদ্ধের খরচ আরব দেশগুলোর ওপর চাপিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, প্রেসিডেন্ট এ নিয়ে আগ্রহী। যুদ্ধের খরচ ইতিমধ্যে হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়েছে।
ইরানে আয়োজন করা হয়েছে গণবিয়ের। জমজমাট আয়োজন।
ইরান মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ‘প্রতিরোধ সমীকরণ’ তৈরি করতে চাইছে। সেই অনুযায়ী, লেবাননের যেকোনো জায়গায় ইসরায়েল হামলা চালালে ইরান সরাসরি তার ওপর পাল্টা আঘাত হানবে।
শুক্রবার একদিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান। এফ-১৫ই এবং এ-১০ মডেলের বিমান দুটি পৃথক ঘটনায় ধ্বংসের শিকার হয়েছে বলে ইরান দাবি করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এ ঘটনা আলোচনায় প্রভাব ফেলবে না।
বিশ্ব গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন অবস্থা চলতে থাকলে অল্প কিছুদিনের মধ্যে পৃথিবীর অনেক দেশ তীব্র তেলসংকট পড়বে। এমনকি তেলশূন্যও হয়ে পড়তে পারে।
প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে চলমান বৈরিতা, নিষেধাজ্ঞা, সামরিক হুমকি ও সংঘাতের পর ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক ঘোষণার ঘটনা ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক উন্নয়ন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা স্মারকে সই করে।