হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগপত্র দিয়েছেন
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।
যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার ও গর্ডন ব্রাউনের প্রশাসনে মন্ত্রী ছিলেন লর্ড ম্যান্ডেলসন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সর্বমিত্র চাকমা।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সব সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন দলটির পার্বত্য অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক ইমন সৈয়দ। আজ রোববার সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ ঘোষণা দেন তিনি।
সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির। তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ। তাহলে এত কথা লিখতে হল কেন? তিনি নিজেই পদত্যাগপত্র লিখেছেন? নাকি তাকে দিয়ে এত কথা লেখানো হয়েছে?’ শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভেরিফ
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মুখে গোপালগঞ্জে গত পাঁচ দিনে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন দুই শতাধিক নেতাকর্মী।
ওয়েঙ্গার নিজেও ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তবে তিনি এখন পর্যন্ত পদত্যাগ করার কোনো ইঙ্গিত দেননি।
তিন বছর তিন মাস দায়িত্ব পালনের পর গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তার এই পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—এই প্রশ্নটিই এখন জাতীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে প্রধান ও আলোচিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনি
সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন লন্ডনে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন–এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া নজিরবিহীন ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। চিকিৎসাবিজ্ঞানে ভর্তির ‘নিট’ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির দায়ে তার পদত্যাগের মূল দাবি জানিয়ে আসছিলেন আন্দোলনকারীরা। শেষ পর্যন্ত সেই আন্দোলনের তীব্র চাপে পদ
চুপ্পুর এই পদত্যাগ সত্যিই ‘নাইস’, নিঃসন্দেহে ‘অ্যাট্রাক্টিভ’, কিন্তু নিঃশব্দে নিঃশেষ নয়।
মো. সাহাবুদ্দিন মেয়াদের আগেই পদত্যাগ করেছেন। তাঁর পদত্যাগের পরপরই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি তোলা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতিকে বিচারের আওতায় আনা যাবে, নাকি তাঁর দায়মুক্তি আছে—বিষয়টি রয়েছে আলোচনায়।