ইরান ‘শক্তিশালী, একইসঙ্গে অহংকারী’ বলে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করছে না
ট্রাম্প বলেছেন, শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তিতে আসা ছাড়া ইরানের সামনে ‘কোনো বিকল্প নেই’।
ট্রাম্প বলেছেন, শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তিতে আসা ছাড়া ইরানের সামনে ‘কোনো বিকল্প নেই’।
কিছু কোম্পানির জন্য এই সংঘাত উল্টো বিপুল মুনাফা অর্জনের বড় সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চুক্তি নিয়ে গত ১৫ জুন আন্তর্জাতিক থিংকট্যাংক ক্রাইসিস গ্রুপ এই বিশ্লেষণটি প্রকাশ করেছে। প্রাসঙ্গিক বিবেচনায় সেটি মুক্তকণ্ঠের পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলো।
বিশ্বকাপ শুরু হবে আগামী ১১ জুন। এবার উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপ। ইরান ‘জি’ গ্রুপ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
তাইওয়ানের কাছে ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের অস্ত্র আপাতত বিক্রি করছে না যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জন্য গোলাবারুদের মজুত ধরে রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৯৪৮ সালের ১৪ মে মধ্যরাতে ফিলিস্তিনে ব্রিটিশ ম্যান্ডেট শেষ হওয়ার সময় নির্ধারিত ছিল। সেদিন বিকেলে তেল আবিবে বেন গুরিয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ইসরায়েল রাষ্ট্রের ঘোষণা দেন।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়। এতে ইসরায়েল লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে পারবে। দক্ষিণ লেবাননে তারা অভিযান ত্বরান্বিত করেছে।
ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও নতুন দর-কষাকষির সম্ভাবনা রয়েছে। লেখকের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, ইরানিদের কাছে চুক্তি মানেই নতুন আলোচনার শুরু। ট্রাম্পের চরম অবস্থান এবং ইরানের কৌশল টেকসই শান্তি বাধা দিচ্ছে।
সিএনএন যাচাই করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনের বেশ কয়েকটি মিথ্যা দাবি। ওসামা বিন লাদেন, ইরান যুদ্ধের বিমানহানি, যুদ্ধ থামানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণিত হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে তথ্য অতিরঞ্জিত বা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক অভিযান চীনের জন্য আরেকটি কৌশলগত সুবিধা তৈরি করতে পারে। ইরানে নতুন করে আক্রমণ চালাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—উভয়ের অস্ত্রভান্ডার দ্রুত ফুরাবে।
যুক্তরাষ্ট্র টানা ছয় দিন ধরে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে সামরিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হচ্ছে। এর পেছনের কারণ বিশ্লেষণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে সিএনএনসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের ওপর ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে, যাতে চারজন গ্রেপ্তার হয়েছে।